সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

অ্যানকাইলোজিং স্পনডিলাইটিস

এটি একটি বিশেষ ধরনের বাত রোগ, যা মেরুদণ্ডে তীব্র ব্যথার সৃষ্টি করে, মেরুদণ্ডে বাঁক ধরে এবং মেরুদণ্ড ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে যায়, যার জন্য একে বলে অ্যানকাইলোজিং স্পনডিলাইটিস। অ্যানকাইলোজিং শব্দের অর্থ শক্ত এবং স্পনডিলাইটিস বলতে মেরুদণ্ডের জ্বালাপোড়া বা প্রদাহ বোঝায়।

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো এটি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত রোগ, তবে এটি প্রধানত মেরুদণ্ড ও কোমরের দুই দিকের অস্থিসন্ধিকে (স্যাক্রোইলিয়াক জয়েন্ট) আক্রান্ত করে। এ রোগের বৈশিষ্ট্য হলো পিঠ ব্যথা ও শক্ত হয়ে যাওয়া।

বিস্তারিত পড়ুন…

খাদ্য হলো বড় দাওয়াই

খাদ্য হলো বড় দাওয়াই। ওষুধ কেবল বড়ি, সিরাপ আর ইনজেকশন হিসেবে নিতে হবে কেন? সঠিক পথ্যের চেয়ে বড় ওষুধ আর কী আছে? শরীরে যখন বিপর্যয় ঘটে তখন প্রকৃতি দুই হাত ভরে যেন ঢেলে দেয় খাদ্য আমাদের আগ্রহী মুখগহ্বরে। বড় অসুখ হলে বদ্যি-ডাক্তার তো আছেনই কিন্তু রোগ প্রতিরোধে এমনকি কেন নিরাময়ে ও আরোগ্য লাভে পথ্যের সহায়ক ভূমিকা আজ সবাই জানেন।

বিস্তারিত পড়ুন…

পিঠব্যথা সমস্যা

পিঠব্যথা সমস্যা যে কারো জন্যই খুব যন্ত্রণাদায়ক অবস্থা। পিঠব্যথা সম্বন্ধে জানতে হলে প্রথমে মেরুদণ্ড সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। মেরুদণ্ড একটি মাত্র হাড় নয়, ৩৩টি হাড়ের সমন্বয়ে এটা তৈরি। প্রতিটি হাড় কার্টিলেজের কুশন দিয়ে পৃথক রয়েছে। এই কুশনকে বলে ডিস্ক। এর কারণে মেরুদণ্ড সামনে-পেছনে বাঁকানো সম্ভব।
মেরুদণ্ড নিখুঁতভাবে সোজাসুজি বা সিধা নয়। পাশ থেকে দেখলে এর স্বাভাবিক আকৃতি হলো ইংরেজি অক্ষর ঝ-এর মতো। পিঠব্যথা প্রতিরোধের প্রধান শর্ত হলোÑ যেকোনো কাজ করার সময় দেরুদণ্ডের এই আকৃতি অুণœ রাখা। পেটের এবং পিঠের মাংসপেশিগুলো মেরুদণ্ডকে সাপোর্ট দেয় এবং নড়াচড়ায় সহায়তা করে।

বিস্তারিত পড়ুন…

চর্বিযুক্ত খাবারে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি

স্তন ক্যান্সার নিয়ে দুই দশক ধরে সমগ্র বিশ্বে যথেষ্ট সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়ার সাথে স্তন ক্যান্সারের বিশেষ যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মহিলা চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খান, পরবর্তী জীবনে তাদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে।

বিস্তারিত পড়ুন…

গরমে ত্বকের যতœ

আদিকাল থেকেই ত্বক সুরক্ষায় মানুষের অসীম প্রয়াস। প্রায় সবারই বিশ্বাস, মানুষ বুড়ো হলেই কেবল ত্বকের গায়ে ভাঁজ পড়ে; ত্বক যায় বুড়িয়ে। কথাটা অনেকটা সত্য হলেও পুরোমাত্রায় কিন্তু সত্য নয়। এই রুদ্র বৈশাখে সব চেয়ে বেশি যে জিনিসটি  ত্বককে বুড়িয়ে দেয় সেটি হচ্ছে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি। বুড়ো থেকে গুড়ো যে কারো ত্বককেই বুড়িয়ে দিতে পারে এই সূর্যরশ্মি। শুধু কি তাই? ত্বকের বিবর্ণ হওয়া থেকে শুরু করে ত্বকের ক্যান্সার পর্যন্ত করে দিতে পারে এই রুদ্র বৈশাখী উত্তাপজনিত সূর্যালোক। এই রশ্মির প্রভাবে ত্বকের কোষগুলো মরে গিয়ে ত্বক হারিয়ে ফেলে তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। টানটানে ত্বকের গায়ে শুরু হয় ত্বকের ভাঁজ আর ঔজ্জ্বল্যবিহীন বিবর্ণ ত্বক। তাই ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে এই উত্তপ্ত দিনগুলোতে আমাদের এই সামান্য প্রয়াস।

বিস্তারিত পড়ুন…

সারা জীবন স্লিম থাকার ২০টি দারুণ উপায়!

নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে শরীরটাকে হালকা রাখতে হিমসিম খেতে হয় প্রায় সবাইকে। চাকরিতে ঢোকার পর কিংবা বিয়ের কিছুদিন পরই শুরু হয়ে যায় দুশ্চিন্তা- “মোটা হয়ে যাচ্ছি!” আর মেয়েদের ক্ষেত্রে সন্তান হওয়ার পর তো কথাই নেই, ওজন বেড়ে দ্বিগুণ। কিন্তু কে চায় ওজন বেশি নিয়ে ঘুরতে? অবশ্য না চাইলেও উপায় নেই, ওজন যেন কিচ্ছুতে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। ডায়েট, ব্যায়াম ইত্যাদি সবকিছুকে ব্যর্থ করে ওজন যেন দিন দিন বাড়তে থাকে আর বাড়তেই থাকে!

বিস্তারিত পড়ুন…

ঘাড়ের বাত : সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস

হাসনাত সাহেবের বয়স ৫০। কয়েক দিন ধরে ঘাড়ে বেশ ব্যথা অনুভব করছেন তিনি। প্রথমে ভেবেছিলেন উল্টোপাল্টাভাবে শোয়ার কারণে বুঝি এমনটি হচ্ছে। স্ত্রীকে জানালে স্ত্রী বললেন, বালিশ রোদে গরম করলে ঘাড়ের ব্যথা সেরে যায়। স্ত্রীর কথামতো রোদে গরম করা বালিশে শুয়ে প্রথম দু-একদিন কিছুটা আরামবোধ করলেও কয়েক দিন পর ব্যথা তীব্র হয়ে উঠল। বালিশ রোদে গরম করেও আর কোনো লাভ হলো না। ঘাড়ের তীব্র ব্যথার সাথে যুক্ত হলো হাতের আঙুলে ঝিনঝিন অনুভূতি। অস্বস্তিকর এই সমস্যা সহ্য করতে না পেরে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেন তিনি। চিকিৎসক রোগের বর্ণনা শুনে এবং কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরিশেষে বললেন, রোগটি হলো সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস।

বিস্তারিত পড়ুন…

শিশুর বেড়ে ওঠা : যখন সতর্কতার প্রয়োজন

2014-02-17 17.02.07শিশুর দেহের বিকাশই বড় নয়, মনের বিকাশও গুরুত্বপূর্ণ। দৈহিকভাবে বাড়তে থাকে শিশু, চোখের সামনে ক্রমে হয়ে ওঠে কিশোর। বিকাশবান এই ধারার সাথে সমন্বয় থাকতে হবে মনের। সুষ্ঠু ও সুস্থ সমৃদ্ধির জন্য মন ও দেহের সমন্বিত বিকাশের বিকল্প নেই।

বিস্তারিত পড়ুন…

সর্বগুণের কালোজিরা

কালোজিরা আমরা সকলেই চিনি। নিমকি বা কিছু তেলে ভাজা খাবারে ভিন্ন ধর্মী স্বাদ আনতে কালোজিরা বেশি ব্যবহার করা হয় থাকে। এছারা অনেকেই কালজিরার ভর্তা খেয়ে থাকেন। অনেকে আবার কালোজিরা খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু কালোজিরার ব্যবহার খাবারে একটু ভিন্নধর্মী স্বাদ আনাতেই সীমাবদ্ধ নয়। আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিৎসাতে কালোজিরার অনেক ব্যবহার হয়। কালোজিরার বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়, যা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে আছে ফসফেট, আয়রন, ফসফরাস। এছাড়াও কালোজিরা আমাদের দেহকে রক্ষা করে অনেক ধরনের রোগের হাত থেকে। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক প্রতিদিন কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা।

বিস্তারিত পড়ুন…

ট্যারা চোখ বা স্কুইন্ট কারণ ও প্রতিকার

আমাদের চুগোলকের চার পাশে কিছু মাংসপেশি রয়েছে, যা স্নায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে চোখের অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করে। ডান পাশের পেশি সঙ্কুচিত হলে চোখ ডান দিকে যায়, বাম পাশের পেশি সঙ্কুচিত হলে চোখ বাম দিকে যায়। স্বাভাবিক অবস্থায় কোনো পেশির সঙ্কোচন না হলে চোখের অবস্থান সোজা থাকে। কোনো কারণে স্নায়ু দুর্বলতা অথবা সরাসরি কোনো পাশের মাংসপেশির দুর্বলতার কারণে চোখের অবস্থানের ভারসাম্যহীনতা ঘটে, ফলে চোখ উল্টো দিকে বেঁকে যায়। একে ট্যারা চোখ বলা হয়।

বিস্তারিত পড়ুন…

হৃদরোগ এবং খাবার

হার্টের রক্তনালীর রোগ থেকে হার্ট অ্যাটাক হয়। হার্ট অ্যাটাক হলে হার্টের কোনো একটি রক্তনালীতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রক্তনালীর গায়ে চর্বি জমার জন্য হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে যায়। সরু রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। রক্তনালীতে চর্বি জমা অথবা রক্ত জমাট বাঁধার জন্য খাদ্যের কিছু কিছু উপাদানকে দায়ী করা হচ্ছে। এর মাঝে খাদ্যের চর্বি বিশেষ করে সম্পৃক্ত চবির্র রক্তে কোলেস্টেরলের প্রভাব এবং ফলে হৃদরোগ হওয়া সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। এছাড়া খাদ্যের আরও কিছু উল্লেখযোগ্য উপাদান যেমন অসম্পৃক্ত ও ট্রান্স ফ্যাটি এসিড এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং খাদ্যের আঁশের ভূমিকা রয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন…

মোট 37 পৃষ্ঠা এর মধ্যে 7« প্রথম পাতা...56789...2030...শেষ পাতা »