সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

পেটভরে ভাত খেয়েও স্লিম হওয়ার টিপস

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেকেই দুপুরে ভাত খাওয়াটা ছেড়ে দেন। যেটা বাঙালিদের জন্য বেশ কষ্টকর৷ ভাত খাওয়া ছেড়ে লাভটা তো কিছু হয় না, মনটা শুধু খাই খাই করতে থাকে। ফলে অনেক এটা-সেটা হাবিজাবি খাওয়া হয়ে যায়। ফলাফল যা হওয়ার হয় ঠিক তাই হয়। ওজন আর নিয়ন্ত্রণে থাকে না। নিশ্চিন্তে দুপুরে পেটপুরে ভাত খান শুধু আমাদের টিপসগুলি মনে রাখুন৷তাহলে আপনার স্লিম থাকা কেউ আটকাতে পারবে না৷

বিস্তারিত পড়ুন…

পিঠব্যথা এড়াবেন যেভাবে

মেরুদণ্ড নিখুঁতভাবে সোজাসুজি বা সিধা নয়। পাশ থেকে দেখলে এর স্বাভাবিক আকৃতি হলো ইংরেজি অক্ষর s (এস)-এর মতো। পিঠব্যথা প্রতিরোধের প্রধান শর্ত হলো যেকোনো কাজ করার সময় মেরুদণ্ডের এই আকৃতি অক্ষুণ্ন রাখা। পেট ও পিঠের মাংসপেশিগুলো মেরুদণ্ডকে সাপোর্ট দেয় এবং নড়াচড়ায় সহায়তা করে।

বিস্তারিত পড়ুন…

ডিমের কুসুমটাই আসল নয়

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখার মতো একটি উন্নত খাবার হচ্ছে ডিম। কারণ ডিমে প্রধানত রয়েছে আমিষ, চর্বি, সামান্য শর্করা, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি১ ও বি২। প্রতি ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিম  ১৮১ কিলোক্যালরি এবং মুরগির ডিম ১৭৩ কিলোক্যালরি শক্তির জোগান দেয়। ডিমে প্রোটিন বা আমিষ এবং চর্বি বা ফ্যাটের পরিমাণ প্রায় সমানই বলা চলে। ডিমের সাদা অংশ অর্থাৎ কাঁচা অবস্থায় আঠালো জেলির মতো জলরঙের অংশটি হচ্ছে প্রোটিন। এই প্রোটিন বা আমিষ হচ্ছে শরীর গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। আর হলুদাভ অংশটি চর্বি বা ফ্যাট। হলুদ অংশটির সাথে থাকে ভিটামিন-এ। চর্বি দেহে শক্তির জোগান দেয় এবং চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (যেমন-এ, ডি, ই কে) শোষণে সাহায্য করে।

বিস্তারিত পড়ুন…

বার্ধক্য প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট

বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, কিছু কিছু নিয়ম মেনে চললে বার্ধক্যকে অনেক দিন প্রতিরোধ করা যায় এবং রোগব্যাধিও দূরে থাকবে। তবে এ জন্য আপনার খাদ্য তালিকায় থাকতে হবে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধি যেমনÑ ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাক, থ্রম্বসিস ইত্যাদির হাত থেকে মুক্তি পেতেও আমাদের শরীরের জন্য অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের প্রচুর দামি খাবার খেতে হবে, মোটেও তা নয়। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকাতেই লুকিয়ে আছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। বিটা ক্যারোটিন, আলফা ক্যারোটিন, লাইকোপিন, ক্রিপটোঅ্যানথিন, পলিফিনলিক এসিড, ট্যানিন, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ই, কপার, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, আয়রন ইত্যাদি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে।

বিস্তারিত পড়ুন…

বাতরোগের চিকিৎসায় স্টেরয়েড

স্টেরয়েড হলো কৃত্রিমভাবে তৈরি প্রদাহ বিরোধী বিকল্প হরমোন। হরমোনগুলোর নাম হলো কর্টিকো স্টেরয়েড ও গ্লুকোকর্টিকয়েড, শরীরের অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি এগুলো তৈরি করে। ওষুধ তৈরি হয় এসব নামে যেমন ডেক্সামেথাসন, হাইড্রোকর্টিসন এবং প্রেডনিসোলন।

বিস্তারিত পড়ুন…

পুরুষ বন্ধ্যত্বের কারণ

বন্ধ্যত্ব কাকে বলে: প্রাপ্তবয়স্ক কোনো  নর-নারী যুগল দীর্ঘ এক থেকে দুই বছরকাল যদি একসাথে সহাবস্থানে থেকে যথাযথ সময়ে স্বাভাবিক যৌনকর্ম চালিয়ে যায় কোনোরূপ জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির কৌশল ছাড়া, আর এ সময়ের মধ্যে যদি ওই যুগলের নারী গর্ভধারণ না করে তবে তাদের বন্ধ্যত্ব বলে।

বিস্তারিত পড়ুন…

নবজাতকের পরিচর্যা

জন্মের পর মুহূর্ত থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত বয়সের শিশু, যাদের নবজাতক বলা হয়ে থাকে,  তারা বাংলাদেশে প্রতি সাড়ে তিন মিনিটে একজন করে মারা যাচ্ছে। এর পেছনের কারণ অনেক।

বিস্তারিত পড়ুন…

দুধ, মিউকাস এবং কাশি

আমরা ভাত মাছ গোশতসহ কত কি-না খাবার খেয়ে থাকি তেমনি একটি খাবার দুধ। কিছু রোগী অভিযোগ করেন যে, দুধ খেলে তাদের সর্দি হয়, গলায় অস্বস্তি হয় এবং কাশি হয়। কেন এসব ঘটে?

বিস্তারিত পড়ুন…

রোগ প্রতিরোধে রঙিন ফল ও সবজি

​ চোখের রোগ

রাতকানা সবারই জানা একটি রোগ, এ ছাড়াও বিটটস স্পট, কেরাটোম্যালাশিয়া কর্নিয়াল আলসার ছবি পড়া ইত্যাদি চোখের রোগ ঠেকাতে রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিস্তারিত পড়ুন…

ব্রংকিয়েকটিসিস : দীর্ঘস্থায়ী বক্ষব্যাধি

ব্রংকিয়েকটিসিস একধরনের বক্ষব্যাধি। এর লক্ষণ ও উপসর্গ অনেকটা যক্ষ্মার মতোই। তাই এ দু’টি রোগ নির্ণয়ে অনেক সময় ভুল হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রচুর রোগী অযথা যক্ষ্মা রোগের ওষুধ মাসের পর মাস বিনা উপকারেই খেয়ে চলেছেন। হিসাব কষলে দেখা যাবে, ব্রংকিয়েকটিসিস রোগে আক্রান্ত রোগী সংখ্যায় নেহায়েত কম নয়, যদিও অ্যান্টিবায়োটিকের আবিষ্কারের আগে এর উপস্থিতি ছিল ব্যাপক।
এটা ফুসফুসের একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ। এ রোগের ফলে ফুসফুসের শ্বাসনালীতে বড় ধরনের প্রদাহ দেখা দেয়। আক্রান্ত স্থানের শ্বাসনালীগুলো তখন ফুলে মোটা হয়ে যায়।

বিস্তারিত পড়ুন…

ডায়াবেটিসে চোখের পাওয়ার

ডায়াবেটিসের সাথে চোখের পাওয়ারের একটা সরাসরি যোগ রয়েছে। রক্তে শর্করা বৃদ্ধি বা কমার ফলে চোখের পাওয়ারও সাময়িকভাবে বাড়তে পারে বা কমতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে চোখের অ্যাকুয়াস হিউমারেও শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে চোখের ভেতরে থাকা লেন্সে আস্রাবন বা অসমোটিক পরিবর্তন হয়। এতে লেন্সের মধ্যে পানি ও চিনি বেশি করে প্রবেশ করে লেন্সটি পুরু হয়ে যায়। এর ফলে লেন্সের পাওয়ার আগের চেয়ে বৃদ্ধি পায়।

বিস্তারিত পড়ুন…

উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ

রক্ত ধমনীর ভেতর দিয়ে প্রবাহের সময় ধমনীর দেয়ালে দেয়া চাপকে রক্তচাপ বলা হয়। মনে রাখবেন, রক্তচাপ সবারই থাকে, যদি স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি থাকে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলা হয়। সাধারণত রক্তচাপ সকাল বেলা বেশি থাকে। বিকেলের দিকে কম থাকে। দুশ্চিন্তা, দুঃখ, উত্তেজনা ও শারীরিক পরিশ্রম রক্তচাপ বৃদ্ধি করে।

বিস্তারিত পড়ুন…

মোট 37 পৃষ্ঠা এর মধ্যে 312345...102030...শেষ পাতা »