সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

কামরাঙার কিছু কথা

এই সময়ের দৃষ্টিনন্দন ফল কামরাঙা। ভিটামিন সি-তে পূর্ণ কামরাঙা। কাজ করে চুল, ত্বক, নখ ও দাঁতের ওপর। গবেষণা করে দেখা গেছে, যাঁরা নিয়মিত ভরা পেটে (অবশ্যই যাঁদের কিডনির কোনো অসুখ নেই) কামরাঙা খান, তাঁদের চুল, ত্বক, নখ ও দাঁত তুলনামূলকভাবে উজ্জ্বল, ভঙ্গুরহীন হয়।

বিস্তারিত পড়ুন…

হার্ট ফেইলিয়র

সারা বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও প্রতিনিয়ত হার্ট ফেইলিয়রের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী দশ থেকে বিশ বছর পর হৃদরোগীদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রোগী হার্ট ফেইলিয়রে আক্রান্ত হবেন। কারণ হিসাবে ধরা হচ্ছে, আধুনিক চিকিত্সার ফলে হৃদরোগীরা যদিও অকাল মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন, বিশেষ করে হৃিপণ্ডের রক্তনালির রোগ থেকে, তবুও পরে তারাই হার্ট ফেইলিয়রে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

বিস্তারিত পড়ুন…

মৃগী রোগীকে অবহেলা নয়

মৃগীরোগ এমনই অবস্থা যখন রোগীর বাহ্যিক জ্ঞান লোপ পায় হঠাত্ এবং প্রায়ই এই অবস্থা ঘটে ও রোগী জ্ঞান হারায়। অনেক সময়ে রোগীর হাত-পায়ে খিঁচুনি দেখা যায়। তবে সব মৃগী রোগেই খিঁচুনি থাকে না। বুদ্ধির স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হওয়া, মস্তিষ্কের জড়তা যেসব শিশুর মধ্যে দেখা যায় তাদের মধ্যে আবার কোনো কোনো শিশু মৃগীরোগগ্রস্ত হয়ে থাকে।

বিস্তারিত পড়ুন…

ধরে রাখুন আপনার তারুণ্য

প্রাচীনকাল থেকে সৌন্দর্যপিপাসু মানুষ চেয়েছে তার রূপ-লাবণ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি তারুণ্য ধরে রাখতে। বিজ্ঞানের এই অত্যাধুনিক যুগে এসেও এর বিন্দুমাত্র ব্যতিক্রম ঘটেনি। বরং রুপালি পর্দার তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাই চায় বয়স যত বৃদ্ধি পাক না কেন তারুণ্যের ছোঁয়া থাকে সব সময়।

বিস্তারিত পড়ুন…

যক্ষ্মার বিভিন্ন রূপ

যক্ষ্মা কোনো মামুলি রোগ নয়। যক্ষ্মা বাংলাদেশের দ্বিতীয় ঘাতক ব্যাধি এবং অন্যতম সামাজিক সমস্যা। যেকোনো বয়সেই যেমন মানুষের যক্ষ্মা হতে পারে, তেমনি শরীরের যেকোনো অঙ্গেই হতে পারে এই রোগ। বলা হয়ে থাকে চুল, নখ এবং দাঁত ছাড়া শরীরের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে যক্ষ্মা হতে পারে না।

বিস্তারিত পড়ুন…

হূদরোগ এবং কোলেস্টেরল

মানুষের বয়স বাড়ার সাথে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকে। যাদের বয়স ২০ বছর বা তার বেশি, তাদের রক্ত প্রতি পাঁচ বছরে অন্তত একবার পরীক্ষা করে দেখা উচিত। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা যদি ২০০ মিলিগ্রাম / ডেসিলিটারের বেশি হয় কিংবা কম ঘনত্বের লিপোপ্রোটিন কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০০ মিলিগ্রাম/ ডেসিলিটারের বেশি হয়, তাহলে এগুলো রক্তে অস্বাভাবিক মাত্রায় বিরাজ করে, এ অবস্থায় পরিমাণ কমানো উচিত। সাধারণত জীবনাচরণ পদ্ধতি পরিবর্তন করে এবং প্রয়োজন হলে ওষুধ সেবন করে ছয় সপ্তাহের মধ্যে এগুলোর পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রায় আনা যায়। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখা কঠিন কাজ নয়।

বিস্তারিত পড়ুন…

থাইরয়েড সমস্যা

ক্লান্তি কি দিনের পর দিন টেনে নামাচ্ছে,  মগজে কেমন কুয়াশা, ওজন বাড়ছে, শীত শীত ভাব, কেশ হানি হচ্ছে। আবার বিপরীতও হতে পারে। উত্তেজিত, খুব ঘুম হচ্ছে, আবার উদ্বিগ্নভাব সব সময়। দোষী হতে পারে দেহের একটি গ্রন্থি; থাইরয়েড গ্রন্থি। শরীর ও মনের নিয়ন্ত্রক এই গ্রন্থিটি সময় সময় বেশ গোলমেলে কাজ করতে থাকে, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে। সঠিক চিকিত্সা হলে ভালো। গুরুতর সমস্যা এড়ানো যায়।

বিস্তারিত পড়ুন…

কিডনি রোগ – কিছু পরামর্শ

—কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও প্রত্যেকের উচিত প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করা। অতিরিক্ত লবণ পরিহার করা এবং ওজন বেশি থাকলে তা স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসা। এছাড়াও রক্তে চর্বি বেশি থাকলে প্রয়োজনে ওষুধ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা এবং ধূমপান পুরোপুরি বর্জন করা।

বিস্তারিত পড়ুন…

কিডনি রোগ প্রতিরোধ সম্ভব

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ কী?
কিডনি নিজস্ব কোনো রোগে আক্রান্ত হলে, অথবা অন্য কোনো রোগে কিডনি আক্রান্ত হওয়ায় কিডনির কার্যকারিতা তিন মাস বা ততোধিক সময় পর্যন্ত লোপ পেলে তা দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের লক্ষণ। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে যদি কিডনি রোগ ছাড়াও কিডনির কার্যকারিতা লোপ পায় তাহলেও তাকে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বলা যেতে পারে।

বিস্তারিত পড়ুন…

কিডনি রোগ সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য

আপনি জানেন কি?
—মানুষের দুটো কিডনি প্রতিদিন প্রায় ১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধিত করে শরীরকে সুস্থ রাখে?
—দুটো কিডনিতে প্রায় ২০-২৫ লাখ ছাঁকনি রয়েছে, যা অনবরত রক্তকে পরিশোধিত করে যাচ্ছে।
—কিডনি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে এবং অস্থি শক্তিশালী করে থাকে।
—শরীর সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখার জন্য একটি কিডনিই যথেষ্ট।

বিস্তারিত পড়ুন…

ডায়াবেটিস হলে সতর্ক হোন

বাংলাদেশে কিডনি রোগ ব্যাপকভাবে বিস্তারলাভ করছে। উন্নত বিশ্বেও এর বিস্তার অনেক। যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত বিশ্বে এর হার ১১ শতাংশ, অর্থাত্ প্রতি ৯ জনের একজনই কিডনি রোগী। অস্ট্রেলিয়ায় এ হার ১৫ শতাংশ।

বিস্তারিত পড়ুন…

মোট 37 পৃষ্ঠা এর মধ্যে 28« প্রথম পাতা...1020...2627282930...শেষ পাতা »