সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

শ্বাসকষ্টে নেবুলাইজার

অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টের রোগীদের ফুসফুসে ওষুধ প্রয়োগের বহুল পরিচিত যন্ত্রটির নাম নেবুলাইজার। এই যন্ত্রটি দিয়ে তরল ওষুধকে সংকুচিত করে বায়ু বা অক্সিজেন দিয়ে স্প্রে বা অ্যারোসলে রূপান্তরিত করা হয়, যা খুব সহজেই নিঃশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসের শ্বাসনালি ও অ্যালভিউলিতে ঢুকে শ্বাসকষ্ট দূর করে। নেবুলাইজার দিয়ে শ্বাসকষ্ট দূর করার চিকিৎসাটি নেবুলাইজ নামে পরিচিত। বহু কারণে ঘরেই কিছু রোগীর নেবুলাইজ করার প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে শ্বাসকষ্ট আছে এমন শিশু ও বয়স্কদের বেলায়।

বিস্তারিত পড়ুন…

এই শীতে পা ফাটা

শীত এসেছে। তাই বেড়ে গেছে পা ফাটার সমস্যা। যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁদের পা আরও বেশি করে ফাটে। যেমন: বয়স্ক, ডায়াবেটিস ও থাইরয়েড রোগ আছে এমন ব্যক্তিদের। ত্বকের নানা রোগে, যেমন সিরোসিসে যাঁরা ভোগেন, তাঁদেরও পা ফাটে বেশি। এ থেকে কিন্তু জীবাণু সংক্রমণ, রক্তপাত, চামড়া উঠে যাওয়াসহ নানা বিপদ হতে পারে। আর দেখতে খারাপ তো লাগেই।

বিস্তারিত পড়ুন…

নাক বন্ধ হলে..

coldএই সময়ে হঠাৎ অনুভব করলেন, নাকের ভেতরটা বন্ধ হয়ে আছে। একটু পর কথা বলার সময়ও অনুভব করলেন, নাকে কথা বেঁধে আসছে। শীতের সময় এমন সমস্যা হতেই পারে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নাক-কান-গলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হুসনে কমর ওসমানী বলেন, ভাইরাসজনিত কারণে এ সময়ে নাক বন্ধ হতে পারে। এ ছাড়া শুষ্ক আবহাওয়ায় ধুলাবালুর কারণে অ্যালার্জি হলে নাক বন্ধ হওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। নাক বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি ঘ্রাণ নিতে অসুবিধা হওয়া, মাথাব্যথা, হালকা সর্দি, জ্বর বা কাশিও থাকতে পারে। এ ছাড়া কথা বলার সময় অসুবিধা হতে পারে।

বিস্তারিত পড়ুন…

ঠাণ্ডা থেকে অ্যালার্জি

সাধারণত শীতকালে আমাদের দেশে বিভিন্ন বয়সের মানুষের শীতকালীন কিছু উপসর্গ দেখা দেয়, কোল্ড অ্যালার্জি বা শীত সংবেদনশীলতা। আমরা দেখে থাকি শীত এলেই অনেক শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তি হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়েন বা শীতজুড়ে অসুস্থ থাকেন। এর বেশিরভাগ হয়ে থাকে কোল্ড অ্যালার্জির কারণে। ঠাণ্ডা বাতাস, সিগারেটের ধোঁয়া, সুগন্ধি, তীব্র গন্ধ, পত্রিকা বা বই-খাতার ধুলা যাতে মাইট থাকে, ফুলের রেণু, মোল্ড ইত্যাদির উপস্থিতি অনেকেই একেবারে সহ্য করতে পারেন না। এসবের উপস্থিতি শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি বা অ্যাজমা, সর্দি ইত্যাদির দেখা দেয়। এসব বিষয়কে চিকিত্সা বিজ্ঞানের ভাষায় এলার্জেন বলা হয়। এসব এলার্জেনজনিত উপসর্গকে আমরা অ্যালার্জি বলে থাকি। সুতরাং প্রচণ্ড শীতও অনেকের জন্য এলার্জেন হিসেবে কাজ করে এবং এ কারণে সৃষ্ট উপসর্গকে কোল্ড অ্যালার্জি বলা হয়।

বিস্তারিত পড়ুন…

শীতের রোগবালাই থেকে থাকুন সুরক্ষিত

শীতের রোগবালাই থেকে থাকুন সুরক্ষিতশীতের দাপটে কাঁপছে পুরো দেশ। এ সময়ে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষই কম-বেশি ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হন। পর্যাপ্ত গরম কাপড়, সঠিক ডায়েট— কোনো কিছুই যেন ঠিকমতো কাজ করে না এ সময়ে। কিন্তু তাই বলে কি রোগে ভুগতে হবে? তা নিশ্চয়ই নয়। খাবার-দাবারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের প্রতি থাকতে হবে বাড়তি যত্ন ও সচেতনতা। এই শীতে অন্যদের চেয়ে যাদের কোল্ড অ্যালার্জি বা অ্যাজমার সমস্যা আছে, তাদের অবশ্যই নিজেদের জন্য বাড়তি যত্ন নিতে হবে।

বিস্তারিত পড়ুন…

শীতের টিপস

health.masudkabir.comশীতে অনেকে সর্দিতে ভোগেন। এটি ঠাণ্ডা ও ধুলোবালুজনিত সর্দি। এ জন্য ঠাণ্ডা ও ধুলো এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজনে ট্যাবলেট সিটিরিজিন বা লিভোসিটিরিজিন জাতীয় ওষুধ দৈনিক একটা করে খাওয়া যেতে পারে। নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরলে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শে স্টেরয়েড ন্যাজোল ¯েপ্র ব্যবহার করা যেতে পারে। শীতের হাঁপানির তীব্রতা বাড়তে পারে। এ জন্য সালবিউটামল ইনহেলার বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাথে আলাপ করে সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে। এ ছাড়া সকালে খালি পায়ে হাঁটবেন না। শীতের কাপড় জড়িয়ে রাখবেন গায়ে।

বিস্তারিত পড়ুন…

শীতে যত্ন নিন ত্বকের

health.masudkabir.comশীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়; ফলে বায়ুমণ্ডল ত্বক থেকে পানি শুষে নেয়। এই শুষে নেয়ার কারণে ত্বক, ঠোঁট ও পায়ের তালু ফেটে যেতে থাকে। আমাদের দেহের ৫৬ শতাংশই হলো পানি। আর এর মধ্যে ত্বক নিজেই ধারণ করে ১০ ভাগ। ফলে ত্বক থেকে পানি বেরিয়ে গেলে ত্বক দুর্বল আর অসহায় হয়ে পড়ে। ত্বকের যেসব গ্রন্থি থেকে তেল আর পানি বের হয়ে থাকে, তা আর আগের মতো ঘর্ম বা তেল কোনোটাই তৈরি করতে পারে না। এতে ত্বক আরও শুকিয়ে যেতে থাকে।

বিস্তারিত পড়ুন…

শীতের অসুখ বিসুখ

health.masudkabir.comআমাদের দেশে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে কিছু রোগ দেখা দেয়, যা প্রতিরোধ সম্ভব যদি সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা নেয়া হয় এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমরা সচেতন থাকি। নিয়মের একটু অনিয়ম হলেই শরীর নামের যন্ত্রটি বেঁকে বসে। সে আর স্বাভাবিক থাকতে চায় না। ফলে আমাদের বিভিন্ন রোগের সম্মুখীন হতে হয় অথবা পুরনো কোনো অসুখ নতুন করে দেখা দিয়ে সমস্যা তৈরি করে জীবনের ঝুঁকি হয়ে দাঁড়ায়।

বিস্তারিত পড়ুন…