সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

শ্বাসকষ্টে নেবুলাইজার

অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টের রোগীদের ফুসফুসে ওষুধ প্রয়োগের বহুল পরিচিত যন্ত্রটির নাম নেবুলাইজার। এই যন্ত্রটি দিয়ে তরল ওষুধকে সংকুচিত করে বায়ু বা অক্সিজেন দিয়ে স্প্রে বা অ্যারোসলে রূপান্তরিত করা হয়, যা খুব সহজেই নিঃশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসের শ্বাসনালি ও অ্যালভিউলিতে ঢুকে শ্বাসকষ্ট দূর করে। নেবুলাইজার দিয়ে শ্বাসকষ্ট দূর করার চিকিৎসাটি নেবুলাইজ নামে পরিচিত। বহু কারণে ঘরেই কিছু রোগীর নেবুলাইজ করার প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে শ্বাসকষ্ট আছে এমন শিশু ও বয়স্কদের বেলায়।

বিস্তারিত পড়ুন…

নবজাতকের পরিচর্যা

জন্মের পর মুহূর্ত থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত বয়সের শিশু, যাদের নবজাতক বলা হয়ে থাকে,  তারা বাংলাদেশে প্রতি সাড়ে তিন মিনিটে একজন করে মারা যাচ্ছে। এর পেছনের কারণ অনেক।

বিস্তারিত পড়ুন…

শিশু যখন বদমেজাজি

অনেক শিশুকে নিয়ে মা-বাবারা বিপদে পড়েন। বিশেষ করে পাঁচ-ছয় বছরের শিশুরা যদি খুব খিটখিটে বদমেজাজি বা রাগী হয়ে ওঠে। বলার সঙ্গে সঙ্গে জিনিসটি কিনে না দেওয়া হলে কিংবা কোনো জায়গা থেকে চলে যাওয়ার প্রশ্নে রাজি করাতে না পারলে তার মধ্যে বিপুল ক্রোধ জন্ম নেয়। তখন সে এমন আচরণ শুরু করে দেয়, যা সহ্যের বাইরে চলে যেতে পারে। ভয় পাওয়া, ভীষণ ক্লান্তি কিংবা শারীরিক অসুস্থতার কারণে শিশুরা এ ধরনের ক্ষিপ্ত আচরণ করে থাকতে পারে।

বিস্তারিত পড়ুন…

শিশুর মাথা অস্বাভাবিক মোটা?

প্রতি ১০ হাজার নবজাতকের মধ্যে দুই থেকে পাঁচজন এই রোগ নিয়ে জন্মাতে পারে
পথেঘাটে প্রায়ই শরীরের তুলনায় অনেক বড় মাথাবিশিষ্ট শিশু দেখা যায়। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে সুচিকিৎসা থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের শিশুকে নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি ও ব্যবসা করতে দেখা যায় আমাদের দেশে; রয়েছে নানা কুসংস্কারও। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যার নাম হাইড্রোকেফালাস। ‘হাইড্রো’ অর্থ পানি আর ‘কেফালাস’ হলো মাথা। মস্তিষ্কে পানি জমে গেলে এই সমস্যা দেখা দেয়। আর প্রতি ১০ হাজার নবজাতকের মধ্যে দুই থেকে পাঁচজন এই রোগ নিয়ে জন্মাতে পারে।

বিস্তারিত পড়ুন…

গর্ভাবস্থায় শারীরিক সমস্যা

বমি সাধারণত সকালের দিকেই হয়। বিশেষত সকালে বিছানা থেকে ওঠার পরপরই এ রকম হয়। প্রথম গর্ভাবস্থায় সাধারণত এটা বেশি হয়। এটা সাধারণত মাসিক বন্ধের মাস অথবা তার পরের মাস থেকে শুরু হয়। প্রথম তিন মাসের পর এই কষ্ট ক্রমেই কমে যায়। এই উপসর্গ সাধারণত মায়ের শরীরের খুব বেশি ক্ষতি করে না। তবে খাওয়া কমে যাওয়ার জন্য দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তাই ভাবী মাকে বোঝানো দরকার যে সন্তান ধারণের জন্য এইটুকু কষ্ট তাকে সহ্য করতে হবে। এ সময় ভাবী মায়ের জন্য কিছু পরামর্শ দেয়া উচিত। যেমন সকালে বিছানা থেকে ওঠার আগে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কিছুক্ষণ নাড়াচড়া করা দরকার। এ ছাড়া বিছানা থেকে ওঠার পর শুকনো টোস্ট বা বিস্কুট খেতে খেতে পায়চারি করলে বমিভাব দূর হয়। খালি পেটে তরল খাবার বা চর্বিজাতীয় খাবার না খাওয়া ভালো। এ সময় একেবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প খাবার বারবার খেতে হবে। প্রয়োজনে বমি বা বমিভাব নিয়ন্ত্রণে নিরাপদ হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাওয়া যেতে পারে।

বিস্তারিত পড়ুন…

শিশুর বেড়ে ওঠা : যখন সতর্কতার প্রয়োজন

2014-02-17 17.02.07শিশুর দেহের বিকাশই বড় নয়, মনের বিকাশও গুরুত্বপূর্ণ। দৈহিকভাবে বাড়তে থাকে শিশু, চোখের সামনে ক্রমে হয়ে ওঠে কিশোর। বিকাশবান এই ধারার সাথে সমন্বয় থাকতে হবে মনের। সুষ্ঠু ও সুস্থ সমৃদ্ধির জন্য মন ও দেহের সমন্বিত বিকাশের বিকল্প নেই।

বিস্তারিত পড়ুন…

ধনুষ্টংকার রোগ

টিটেনাস বিষয়ে কম বেশি আমরা সবাই বেশ সচেতন। একটু কেটে গেলেই এর ভ্যাকসিন নেয়ার প্রবণতা যেন সর্বজনস্বীকৃত। কিন্তু আমরা কি জানি বিভিন্ন দুর্ঘটনা থেকে জীবনঘাতী এমন রোগের সৃষ্টি হতে পারে? যেমন- 

  • ত্বকে ঘর্ষণজনিত ক্ষত থেকে
  • মানুষের কামড় বা জীবজন্তুর দংশনে
  • দূষিত যন্ত্র দিয়ে অস্ত্রোপচার করলে
  • মায়ের জরায়ুতে ভ্রƒণের মৃত্যু হলে
  • হাড় ভেঙে চর্মভেদ করে বেরোলে
  • দূষিত সিরিঞ্জ দিয়ে ইনজেকশন নিলে
  • ত্বকে দীর্ঘ দিনের কিংবা দুর্গন্ধজনিত ঘা থাকলে
  • প্রসবকালীন দূষিত উপায়ে নাড়ি কাটলে অথবা ছাই, মাটি ইত্যাদি দিয়ে নাভি আবৃত করলে।

বিস্তারিত পড়ুন…

শিশুর হাঁপানি হলে কী করবেন?

শিশুর হাঁপানিঅনেক শিশুই হাঁপানিতে কষ্ট পায়। এক হিসাবে দেখা গেছে, ছেলেদের ১০-১৫ শতাংশ এবং মেয়েদের ৭-১০ শতাংশ এ রোগে ভোগে। জীবনের প্রথম বছরের মধ্যে ৩০ শতাংশ এবং চার-পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে শতকরা ৮০-৯০ ভাগ হাঁপানি রোগের প্রকাশ ঘটে। হাঁপানি রোগের সূচনা এবং প্রকাশের সব কারণ বেশ জটিল। বংশগত ধারা এবং পরিবেশের নানা উপাদানের সংযোগে রোগের উজ্জীবন ঘটে। শিশুদের বেলায় এ রোগের সংজ্ঞা নিরূপণ করা খুব সহজ নয়।

বিস্তারিত পড়ুন…

শিশুর কানব্যথা যখন ঝুঁকিপূর্ণ

ear-infectionহঠাত্ কানব্যথা। তবে একটু সর্দি-কাশি ২/৩ দিন ধরেই ছিল। হঠাত্ কানব্যথার এই সমস্যা প্রথম থেকেই তীব্র হতে পারে কিংবা প্রথমে অল্প হয়ে ক্রমে বাড়তে পারে। অনেক শিশু-কিশোরেরই এ রকম অবস্থা দেখা দেয়। কানব্যথার এই সমস্যা আক্রান্তের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে এটিকে মেডিকেল ইমারজেন্সি বা জরুরি চিকিত্সাযোগ্য রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কানের এই জরুরি সমস্যার- মধ্যকর্ণের তীব্র চিকিত্সাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এর নাম একিউট সাপোরেটিভ ওটাইটিস মিডিয়া।

বিস্তারিত পড়ুন…

শিশুর জ্বর ও খিঁচুনি রোগ

শিশুর জ্বর কোনো কোনো শিশুর বিভিন্ন সময় জ্বর তরতর করে বেড়ে যায়। তারপরই শুরু হয় শরীরজুড়ে খিঁচুনি। মোটামুটি ৩৯ সে: বা ১০২ সে: ফারেনহাইটে জ্বর উঠে গেলে এ অবস্থা হয়। চোখ উল্টে যায় এবং দাঁতে দাঁত লেগে যেতে পারে। এ ব্যাপারটি কযেক সেকেন্ড থেকে ৫-১০ মিনিট পর্যন্ত চলতে পারে। শিশুটি এরপর ঘুমিয়ে পড়ে। আমাদের দেশের প্রায ৩-৪ শতাংশ শিশুর এ সমস্যা হয়। সাধারণত এ রকম খিঁচুনি ৯ মাস বয়সের আগে বা চার বছরের পর হয় না।

বিস্তারিত পড়ুন…

শিশুর নিঃশ্বাসে হুইজিং বা বাঁশির মতো শব্দ

health.masudkabir.comপাঁচ বছরের কম বয়সের শিশুদের শ্বাসনালীর প্রদাহ এবং সঙ্কোচন হয় সাধারণত শ্বাসনালীতে ভাইরাসের আক্রমণে। এ সময় শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে বাঁশির শব্দের অনুরূপ শব্দ পরিলক্ষিত হয়।

শ্বাস-প্রশ্বাসের এই বাঁশির শব্দ ভবিষ্যতে অ্যাজমায় আক্রান্ত হওয়ার অনেকখানি ইঙ্গিত বহন করে। এই হুইজিং সাউন্ড (বাঁশির মতো শব্দ) সৃষ্টিকে বয়স্ক এবং শিশুদের শ্বাসনালীর গঠনগত এবং কার্যগত পার্থক্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়।

বিস্তারিত পড়ুন…

শীতে শিশুর সুস্থতায়…

Amelia Iqbalনবজাতক শিশুকে নরম সুতি কাপড়ে জড়াতে হবে। তার হাত-পায়ে গরম মোজা দিয়ে রাখতে হবে। তার কাপড়গুলো হতে হবে গরম কিন্তু আরামদায়ক।
– অনেকে নবজাতককে ঘন ঘন গোসল করান। শীতের সময় নবজাতককে গোসল না করানোই ভালো। তবে নরম কাপড় হালকা কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে নবজাতকের শরীর মুছে দেওয়া যেতে পারে।

বিস্তারিত পড়ুন…