সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

যেসব খাবারে ফুসফুস ভালো থাকবে

আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে ফুসফুস অন্যতম। এটি সাধারণত আমাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমেই চালিত হয়। কাজেই ফুসফুস চারপাশের বায়ু থেকে নানা ক্ষতিকর উপাদান গ্রহণ করবে এটাই স্বাভাবিক। এর ফলে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা সমস্যা বিশেষ করে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া, সাইটিক ফিব্রোসিস প্রভৃতি হতে পারে। কাজেই এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ব্যায়াম, বায়ুদূষণ এড়ানো এবং ধূমপান না করা প্রভৃতি অনেক জরুরি। তবে এগুলোই যথেষ্ট নয়। সুস্থ থাকতে একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে প্রতিদিনের ডায়েটে এমন কিছু খাবার রাখতেই পারেন যা আপনার ফুসফুস ভালো রাখতে সাহায্য করবে। 

বিস্তারিত পড়ুন…

দুটি ব্যায়াম মেদ ঝরাবে ৩১ দিনে

beamশরীরকে ফিট রাখার ক্ষেত্রে পেটের মেদ বা ভুঁড়ি একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা৷ অনেক সময় দেখা যায় শরীরের অন্যান্য অংশে তেমন মেদ নেই, কিন্তু পেটের মেদ আপনার ফিটনেস নষ্ট করছে আর আপনাকে দেখতেও ভীষণ খারাপ লাগছে। এমতাবস্থায় খাবার-দাবার নিয়ন্ত্রণ করেও ভালো কাজ হয় না। আসলে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রতিদিন এমন কিছু ব্যায়াম করা দরকার যেগুলো সরাসরি পেটের মেদ ঝরানোর জন্য উপকারী৷ আজকে এরকমই তিনটি ব্যায়ামের কথা আপনাদের বলব৷

বিস্তারিত পড়ুন…

বার্ধক্য প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট

বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, কিছু কিছু নিয়ম মেনে চললে বার্ধক্যকে অনেক দিন প্রতিরোধ করা যায় এবং রোগব্যাধিও দূরে থাকবে। তবে এ জন্য আপনার খাদ্য তালিকায় থাকতে হবে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধি যেমনÑ ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাক, থ্রম্বসিস ইত্যাদির হাত থেকে মুক্তি পেতেও আমাদের শরীরের জন্য অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের প্রচুর দামি খাবার খেতে হবে, মোটেও তা নয়। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকাতেই লুকিয়ে আছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। বিটা ক্যারোটিন, আলফা ক্যারোটিন, লাইকোপিন, ক্রিপটোঅ্যানথিন, পলিফিনলিক এসিড, ট্যানিন, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ই, কপার, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, আয়রন ইত্যাদি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে।

বিস্তারিত পড়ুন…

পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা

গোড়ালির ব্যথাকে ইংরেজিতে ‘হিল পেইন’ বলে। গোড়ালির ব্যথা সাধারণত গোড়ালির নিচের দিকে অথবা গোড়ালির পেছন দিকে হয়। যদি আপনার গোড়ালির ব্যথা নিচের দিকে হয় তাহলে বুঝতে হবে এটার কারণ হলো প্লান্টার ফাসাইটিস। এ ক্ষেত্রে হাঁটলে পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা বাড়ে, সকালবেলা ব্যথা বেশি থাকে এবং বেলা বাড়ার সাথে সাথে ব্যথা কিছুটা কমে; কখনো কখনো গোড়ালি শক্ত বলে মনে হয় এবং শক্ত জুতা ব্যবহার করলে ব্যথা বেড়ে যায়; গোড়ালি কখনো কখনো ফুলে যায়। আর পায়ের গোড়ালির পেছনের দিকে ব্যথা হয় সাধারণত অ্যাকিলিস টেনডিনাইটিস হলেÑ এই ব্যথা গোড়ালির হাড়ের সাথে যেখানে অ্যাকিলিস টেনডন মিশেছে সেখানে হয়।

বিস্তারিত পড়ুন…

সামান্য পরিবর্তনেই সুস্থ থাকতে পারেন

জীবনযাত্রায় সামান্য একটু পরিবর্তন এনেই আপনি রোগবালাই অনেক কমিয়ে আনতে পারেন। আর এসব পরিবর্তনে আপনার কোনোই সমস্যা হবে না। অথচ অনেক রোগ আপনাকে স্পশই করবে না।

রিডার্স ডাইজেস্ট থেকে এ ধরনের কয়েকটি পরিবর্তনের কথা এখানে তুলে ধরা হল-

১. নাস্তা না করলে কী হবে?
আপনি যখন দীর্ঘ রাতের পর ঘুম থেকে জাগেন, তখন আপনার দেহ সম্ভবত ১২ ঘণ্টা কোনো ধরনের খাবার পায়নি। এর মানে হলো আপনার জ্বালানি প্রয়োজন।

বিস্তারিত পড়ুন…

যে ৫টি ছোট্ট কাজে বিষণ্ণতা ভুলে চিরকাল থাকতে পারেন আত্মবিশ্বাসী

একজন মানুষ যে সব সময় সুখী থাকেন তা ঠিক নয়। প্রতিটি মানুষই সুখ এবং দুঃখ এই দুইয়ের সমন্বয়ে জীবন কাটান। কিন্তু কিছুটা সময়ের জন্য অসুখী থাকা এবং অভ্যাসগত ভাবে অসুখী জীবনযাপন করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যারা দীর্ঘকাল ধরে অসুখী তারাই অভ্যাসগত ভাবে অসুখী জীবনযাপন করেন। একটি পরীক্ষায় ১০০০ জন মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় যে তাদের মধ্যে বেশীরভাগ মানুষের দীর্ঘকাল অসুখী থাকার পিছনে তাদের কিছু কিছু আচরণ রয়েছে। এইসব পিছুটান দূর করতে পারলেই তারা অসুখী জীবনযাপন হতে মুক্তি পেতে পারেন। দূরে রাখতে পারেন বিষণ্ণতা ও কষ্টের অনুভব।

বিস্তারিত পড়ুন…

কোমরে ব্যথা হলে…

বেশিরভাগ মানুষই জীবনের কোনো না কোনো সময় কোমর ব্যথাজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন। আমাদের দেশে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে চারজন জীবনের কোনো না কোনো সময় এ সমস্যায় ভোগেন। আগে মানুষের ধারণা ছিল কোমর ব্যথা শুধু বয়স্কদের হয়, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, কোমর ব্যথা যে কোনো বয়সেই হতে পারে। মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি, কর্পোরেট পেশা, নগরায়ন, শরীরচর্চার অভাব, জীবিকার তাগিদে অত্যধিক পরিশ্রম, শ্রমিক পেশাজীবী, কম্পিউটিং, চলাফেরা, শোয়া-বসায় ভুল অবস্থান, শারীরিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি কারণে কোমর ব্যথার রোগী দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিস্তারিত পড়ুন…

সুষম খাদ্য ও শরীরচর্চায় ওজন নিয়ন্ত্রণ

সুষম খাদ্য ও শরীরচর্চায় ওজন নিয়ন্ত্রণসারা বিশ্বে এখন স্লিম ফিগারের জয়জয়কার। মেদবিহীন ছিপছিপে আকর্ষণীয় দেহের গড়ন সবার প্রিয়। এই প্রত্যাশা পূরণ খুব একটা কঠিন কাজ নয়। পরিমিত সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে স্বাভাবিক ওজন আর সুস্থ শরীরের অধিকারী হওয়া সহজেই সম্ভব। এর জন্য খুব বেশি প্রচেষ্টা কিংবা নিয়মিত জিমে যাওয়ারও প্রয়োজন নেই।

বিস্তারিত পড়ুন…

ভালো কিছু কার্ডিও টাইপের শরীরচর্চা

exercise1অনেকেই জানেন, নিয়মিত শরীরচর্চা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাঁটা একটি জনপ্রিয় কার্ডিও ব্যায়াম। কার্ডিও ব্যায়ামের ফলে আপনার সারা শরীরে শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়, রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, শরীরে প্রচুর ঘাম হয়। ফলে ক্যালরি বার্ন হয়। সর্বোপরি শরীর সুস্থ থাকে এবং ওজন কমে। কার্ডিও করলে হার্ট, ফুসফুস ভালো থাকে, মেটাবলিসম বাড়ে, মন প্রফুল্ল থাকে, শক্তি বাড়ে, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে থাকে, কোলেস্টেরল কমে, ঘুম ভালো হয় । সর্বোপরি শরীরের ফিটনেস অনেক বাড়ে ।

বিস্তারিত পড়ুন…

ধীরে সুস্থে খাবার খান

ক্যারিয়ার নিয়ে প্রতিযোগিতার এই দৌড়ে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা খাবারের দিকে একেবারেই ভ্রূক্ষেপ করছে না। পড়াশোনার জন্য তারা কখনও ক্লাসে যোগ দিতে রুদ্ধশ্বাসে ছোটে। আবার কখনও কোচিং ক্লাসটা যাতে মিস না হয়ে যায় সেই চিন্তায় অস্থির। সামনের খাবারের প্লেটটা ছেড়েই উঠে যায়। নতুবা যখন খাবার খায় এমন তড়িঘড়ি করে খায়, যা সুস্থ থাকার জন্য যথোপযোগ্য নয়।

বিস্তারিত পড়ুন…

শরীরচর্চার বিস্ময়কর উপকারিতা

exercise1শরীরচর্চা বা ব্যায়াম এমন একটা বিষয় যা অনেক রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে থাকে। শরীরচর্চার মাধ্যমে নানা রোগ যেমন: উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস থেকে শুরু করে সর্দিসহ নানা ধরনের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় আবার এর আছে চিত্তাকর্ষক কিছু উপকারিতা। আপনি কি জানেন, এটি আপনার ইচ্ছা শক্তি ও যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ধরনের উপকার করে থাকে।

বিস্তারিত পড়ুন…

সুস্বাস্থ্যের জন্য সুঅভ্যাস

সুস্বাস্থ্যের জন্য সুঅভ্যাসমানুষ অভ্যাসের দাস। অভ্যাস হচ্ছে নিয়মিত, অবিরত এবং ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কোনো কাজ করা কিংবা কোনো কথা বলা। অভ্যাসের প্রাথমিক বুনিয়াদ হলো বিশ্বাস। এ বিশ্বাসের মূলে থাকে প্রচলিত ধ্যান-ধারণা, রসম, রেওয়াজ ইত্যাদি। আবার শিক্ষাগত ধ্যান-ধারণায় আদর্শিক চেতনার বিশ্বাসে থাকে ধর্মীয় মূল্যবোধ কিংবা কোনো নীতি দর্শনের সঙ্কল্প।

বিস্তারিত পড়ুন…

মোট 2 পৃষ্ঠা এর মধ্যে 112