সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

অ্যানকাইলোজিং স্পনডিলাইটিস

এটি একটি বিশেষ ধরনের বাত রোগ, যা মেরুদণ্ডে তীব্র ব্যথার সৃষ্টি করে, মেরুদণ্ডে বাঁক ধরে এবং মেরুদণ্ড ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে যায়, যার জন্য একে বলে অ্যানকাইলোজিং স্পনডিলাইটিস। অ্যানকাইলোজিং শব্দের অর্থ শক্ত এবং স্পনডিলাইটিস বলতে মেরুদণ্ডের জ্বালাপোড়া বা প্রদাহ বোঝায়।

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো এটি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত রোগ, তবে এটি প্রধানত মেরুদণ্ড ও কোমরের দুই দিকের অস্থিসন্ধিকে (স্যাক্রোইলিয়াক জয়েন্ট) আক্রান্ত করে। এ রোগের বৈশিষ্ট্য হলো পিঠ ব্যথা ও শক্ত হয়ে যাওয়া।

বিস্তারিত পড়ুন…

পিঠব্যথা সমস্যা

পিঠব্যথা সমস্যা যে কারো জন্যই খুব যন্ত্রণাদায়ক অবস্থা। পিঠব্যথা সম্বন্ধে জানতে হলে প্রথমে মেরুদণ্ড সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। মেরুদণ্ড একটি মাত্র হাড় নয়, ৩৩টি হাড়ের সমন্বয়ে এটা তৈরি। প্রতিটি হাড় কার্টিলেজের কুশন দিয়ে পৃথক রয়েছে। এই কুশনকে বলে ডিস্ক। এর কারণে মেরুদণ্ড সামনে-পেছনে বাঁকানো সম্ভব।
মেরুদণ্ড নিখুঁতভাবে সোজাসুজি বা সিধা নয়। পাশ থেকে দেখলে এর স্বাভাবিক আকৃতি হলো ইংরেজি অক্ষর ঝ-এর মতো। পিঠব্যথা প্রতিরোধের প্রধান শর্ত হলোÑ যেকোনো কাজ করার সময় দেরুদণ্ডের এই আকৃতি অুণœ রাখা। পেটের এবং পিঠের মাংসপেশিগুলো মেরুদণ্ডকে সাপোর্ট দেয় এবং নড়াচড়ায় সহায়তা করে।

বিস্তারিত পড়ুন…

কোমরে ব্যথা হলে…

বেশিরভাগ মানুষই জীবনের কোনো না কোনো সময় কোমর ব্যথাজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন। আমাদের দেশে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে চারজন জীবনের কোনো না কোনো সময় এ সমস্যায় ভোগেন। আগে মানুষের ধারণা ছিল কোমর ব্যথা শুধু বয়স্কদের হয়, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, কোমর ব্যথা যে কোনো বয়সেই হতে পারে। মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি, কর্পোরেট পেশা, নগরায়ন, শরীরচর্চার অভাব, জীবিকার তাগিদে অত্যধিক পরিশ্রম, শ্রমিক পেশাজীবী, কম্পিউটিং, চলাফেরা, শোয়া-বসায় ভুল অবস্থান, শারীরিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি কারণে কোমর ব্যথার রোগী দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিস্তারিত পড়ুন…

মেরুদণ্ডের অন্যতম সমস্যা : ডিস্ক প্রল্যাপ্স

গবেষণায় দেখা গেছে, মেরুদণ্ডের যে ৯০ শতাংশ মেকানিক্যাল সমস্যা হচ্ছে, তার মধ্যে ডিস্ক প্রল্যাপ্সজনিত সমস্যাই বেশি। বেশিরভাগ ডিস্ক প্রল্যাপ্স ঘাড়ের এবং কোমরের অংশে হয়ে থাকে। সারভাইকেল ৪/৫ ও ৫/৬ এবং লাম্বার ৪/৫ ও লাম্বার ৫/সেক্রাল ১-এর মধ্যে ডিস্ক প্রল্যাপ্স বেশি হয়ে থাকে। ডিস্ক হচ্ছে মেরুদণ্ডের দুটি কশেরুকার মধ্যর্বতী এক বিশেষ পদার্থ, যা মেরুদণ্ডের এক হাড়কে অপর হাড় থেকে আলাদা করে রাখে এবং নড়াচড়া করতে সাহায্য করে থাকে।

বিস্তারিত পড়ুন…

হাড়ের ক্ষয় চিকিত্সা ও প্রতিকার

হাড়ের ক্ষয়রোগ একটি নীরব ঘাতক, যা মানুষকে আস্তে আস্তে ক্ষতিগ্রস্ত ও পঙ্গু করে এবং মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। তীব্র ব্যথা, বেঁকে যাওয়া এবং হাড় না ভাঙা পর্যন্ত বোঝা যায় না—হাড়ে মরণব্যাধি ক্ষয়রোগ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট চিহ্ন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে নীরবে এ রোগ শরীরে থাকে। মানবশরীরে ২০৬টি হাড় থাকে এবং প্রতিটি হাড় ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম ও অন্যান্য লবণ, ভিটামিন, আমিষ এবং কোলাজেন দিয়ে তৈরি হয়।

বিস্তারিত পড়ুন…

কোমর ব্যথায় অপারেশনবিহীন চিকিত্সা

কোমর ব্যথার একটি বড় কারণ ডিস্ক প্রলাস্প আর এতে অপারেশনের বিকল্প হচ্ছে ম্যানুয়াল ও ম্যানুপুলেশন থেরাপি। ডিস্ক হচ্ছে মেরুদণ্ডের দুটি কশেরুকার মধ্যবর্তী একটি বিশেষ পদার্থ, যা একটি মেরুদণ্ডের হাড়কে অপর একটি হাড় থেকে বিভক্ত রাখে, যাতে একটির সঙ্গে আরেকটির ঘর্ষণ না লাগে এবং স্প্রিংয়ের মতো কাজ করে।

বিস্তারিত পড়ুন…

মেরুদন্ডের যত্ন নেবেন কিভাবে

মেরুদন্ড আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কাউকে অকমণ্য বোঝাতে আমরা মেরুদন্ডহীন কিংবা কাউকে সামর্থবান বোঝাতে মেরুদন্ডশক্ত ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে থাকি। ৩৩ টি আলাদা আলাদা কশেরুকা বা হাড দিয়ে মেরুদন্ড তৈরী। পুরো মেরুদন্ডে তিনটি প্রধান বাক থাকে। যেমন ঘাড়ের অংশ উত্তল, পিঠের অংশ অবতল আবার কোমড়ের অংশ উত্তল থাকে। এই সমস্ত বাক বা কর্ভেচার শরীরের ভারসাম্য রক্ষা বা শরীরকে বিভিন্ন দিকে ইচ্ছেমত নাড়াচাড়ার কাজকে সহজ করে। তাছাড়া ঘার ও কোমড়ের অংশ দিয়ে বের হয়ে আসা স্নায়ু জালিকাগুলো যথাক্রমে দুই হাত, ঘার, মাথা এবং শরীরের নিম্নাংশ, কোমড়ে স্নায়ু সরবরাহ করে থাকে। তাই ঘার ও কোমড়ের অংশের মেরুদন্ড অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। বিস্তারিত পড়ুন…