সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

লালাগ্রন্থির সমস্যা মামস

প্রত্যেক মানুষের মুখের দুই পাশে ও কানের নিচে দু’টি প্যারোটিড গ্রন্থি রয়েছে। যেসব কারণে প্যারোটিড গ্রন্থি ব্যথাসহ ফুলে উঠে তন্মধ্যে সর্বাপেক্ষা কমন কারণ হলো মামস। মামস মূলত প্যারামিক্রোডাইরাসের সংক্রমণে হয়ে থাকে।  শিশুরাই আক্রান্ত হয় সর্বাপেক্ষা বেশি। এটি অত্যন্ত সংক্রামক ব্যাধি এবং ছড়ায় মূলত আক্রান্ত রোগীর লালার মাধ্যমে।

বিস্তারিত পড়ুন…

মুখ থেকে মুছে যাক বয়সের ছাপ

সৌন্দর্যপিপাসু সুন্দরী ললনাদের ক্ষেত্রে মুখের দাগ তাদের হতাশার অন্যতম একটি কারণ। এ ক্ষেত্রে তারা অবিরাম ছুটে চলেন ডাক্তারের পর ডাক্তার। খরচে থাকে না তাদের কোনো বাধা, শুধু চাওয়া  এ অবস্থা থেকে মুক্তি। কিন্তু সব সময় তা সফল না হওয়ায় বাড়তে থাকে তাদের হতাশা।

বিস্তারিত পড়ুন…

তোতলামির জন্য দায়ী জিনগত ত্রুটি

তোতলামির জন্য দায়ী জিনগত ত্রুটি‘তোতলামি’ বা কথা বলার বিশেষ সমস্যার কারণ খুঁজতে শত শত বছর ধরে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এই দুর্ভোগের কোনো উত্সসূত্র পাওয়া যায়নি এতোদিন। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, জিনগত ত্রুটির সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে এর। তোতলামি বা কথা বলার প্রতিবন্ধকতা এমন একটি শারীরিক ব্যাধি যার কারণে কিছু মানুষ একই শব্দকে বার বার বলে, অনেক সময় একটা শব্দকে টেনে অনেক লম্বা করে বলতে থাকে এবং অনিচ্ছাকৃত এই সমস্যার কারণে কথা বলার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়।

বিস্তারিত পড়ুন…

মাম্পস

মাম্পসআমাদের মুখমণ্ডলের প্রতি পাশে তিনটি করে মোট ছয়টি লালাগ্রন্থি আছে। এর মধ্যে দুই গালের পেছন দিকে, ঠিক কানের নিচে একটি করে মোট দু’টি লালাস্রাবী গ্রন্থি থাকে, যাদের বলা হয় ‘প্যারোটিড লালাগ্রন্থি’। এ ছাড়া জিহ্বার নিচে দু’টি সাবলিঙ্গুয়াল গ্রন্থি এবং নিচের চোয়ালের ভেতরের দিকে একটি করে মোট দুটি সাব ম্যান্ডিবুলার গ্রন্থি রয়েছে। লালাগ্রন্থির কাজ লালারস ুরণ করে খাদ্যদ্রব্যকে পিচ্ছিল করা, যা চর্বনে সাহায্য করে।

বিস্তারিত পড়ুন…

সাইনোসাইটিস লক্ষণ ও উপসর্গ

১. নাকে সর্দি হওয়া, বা নাক দিয়ে ক্রমাগত পানি পড়া এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া; বিশেষত যখন ঠাণ্ডায় আক্রান্ত ব্যক্তি সাত দিনেরও বেশি সময়ে সেরে না ওঠে।
২. নাক দিয়ে সবুজ কিংবা হলুদ পদার্থ বেরিয়ে এলে। মাঝেমধ্যে অবশ্য রক্তের ছোঁয়াও সেখানে লেগে থাকতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির গলার ভেতরে খুসখুস করে অস্বস্তিকর অনুভব হওয়া এবং সে কারণে কাশি হওয়া।

বিস্তারিত পড়ুন…

মুখের দুর্গন্ধযুক্ত বিব্রতকর সমস্যা

mouth দুর্গন্ধ বা দুর্গন্ধযুক্ত শ্বাস একটি বিরক্তিকর স্বাস্থ্য সমস্যা। প্রায়শই  আক্রান্ত ব্যক্তি তার এমন অবস্থা সম্পর্কে খুব একটা অবগত থাকেন না। তবে সমস্যাটি আশেপাশে অবস্থানকারীদের। কেননা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার সময় যখন দুর্গন্ধযুক্ত শ্বাস বেরিয়ে আসে তখন গোটা পরিবেশকে অন্যদিক ঘুরিয়ে দিতে বাধ্য। শুধু পার্শ্বব্যক্তিই যে এর নেতিবাচক প্রভাবে বিরক্ত হন তা কিন্তু নয়। সংশ্লিষ্ট ভূক্তভোগী ব্যক্তিও নানা স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হন দুর্গন্ধযুক্ত শ্বাস ও এর আনুষঙ্গিক কারণে।

বিস্তারিত পড়ুন…