সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

ভিটামিন ‘ই’ গ্রহণের সুবিধা-অসুবিধা-পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি ভিটামিন হলো ভিটামিন-ই। এটি শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থ থাকতে ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন-ই গ্রহণ করলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, চোখের ছানি, মাংসপেশির ব্যথা, ঠাণ্ডা লাগা ও আন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি কমে যায়। অন্য এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন-ই গ্রহণে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। শুধু শারীরিক সুস্থতায় নয়, বরং ত্বক এবং চুলের জন্যও উপকারী এই ভিটামিন। এর অভাবে চুল পড়ে যাওয়া, পেশি দুর্বল হওয়া, ভারসাম্যহীনতা, চোখে ঝাপসা দেখাসহ প্রভৃতি নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই এসব সমস্যা থেকে রেহাই পেতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ‘ই’ সমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি।

বিস্তারিত পড়ুন…

দুধে উপকার, দুধে ক্ষতি

দুধ যে আদর্শ খাবার তাতে সন্দেহ নেই। অনেক উপকার আছে। আবার কিছু কিছু ক্ষতিও হয় এতে।

দুধে প্রচুর পুষ্টি-উপাদান থাকে। ক্যালসিয়াম ছাড়া দুধের মধ্যে ফসফরাস, আয়রন, জিংক, কপার, ম্যাঙ্গানিজের পরিমাণও অনেক বেশি থাকে। দুধ খাওয়ার উপকারিতা অনেক। অবশ্য দুধ পান করার ক্ষেত্রে পাঁচ ধরনের মানুষকে সাবধান হতে হবে। এ বিষয়টিও স্থান পাবে আমাদের আজকের স্বাস্থ্য ও জীবনে।
প্রথমে দুধের ১০টি উপকার নিয়ে আলোচনা করা যাক।

বিস্তারিত পড়ুন…

ডিমের কুসুমটাই আসল নয়

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখার মতো একটি উন্নত খাবার হচ্ছে ডিম। কারণ ডিমে প্রধানত রয়েছে আমিষ, চর্বি, সামান্য শর্করা, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি১ ও বি২। প্রতি ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিম  ১৮১ কিলোক্যালরি এবং মুরগির ডিম ১৭৩ কিলোক্যালরি শক্তির জোগান দেয়। ডিমে প্রোটিন বা আমিষ এবং চর্বি বা ফ্যাটের পরিমাণ প্রায় সমানই বলা চলে। ডিমের সাদা অংশ অর্থাৎ কাঁচা অবস্থায় আঠালো জেলির মতো জলরঙের অংশটি হচ্ছে প্রোটিন। এই প্রোটিন বা আমিষ হচ্ছে শরীর গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। আর হলুদাভ অংশটি চর্বি বা ফ্যাট। হলুদ অংশটির সাথে থাকে ভিটামিন-এ। চর্বি দেহে শক্তির জোগান দেয় এবং চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (যেমন-এ, ডি, ই কে) শোষণে সাহায্য করে।

বিস্তারিত পড়ুন…

তাজা ফল কেন খাবেন

গ্রীষ্মকালীন সময়ে বাজার জুড়ে থাকে শুধু ফল আর ফল। এ সময়কার ফলগুলো হলো তরমুজ, লিচু, আম, জাম, কাঁঠাল, আনারস, বেল, আখ, পানি ফল, নাশপাতি ইত্যাদি। কলা, পেঁপে সারা বছরই পাওয়া যায়। গরমে প্রচুর ফল খান এবং দেহে সঞ্চয় করুন ভিটামিন ও খাদ্যশক্তি।

বিস্তারিত পড়ুন…

ত্বকের সমস্যা এবং পরিচর্যা

‘দেহপট  সনে নট সকলি হারায়’ একটি কথা আছে। দেহের আবরণ ত্বক। ত্বকে কুঞ্চন রেখা পড়ন্ত বেলার লক্ষণ। কিন্তু একে আরো কিছুদিন মসৃণ ত্বক রাখার কৌশলও তো আছে। ত্বক সুরক্ষা দেয় শরীরকে, কিন্তু কেবল কি তাই? সুস্থ ত্বক সৌন্দর্যেরও চিহ্ন। প্রতিদিনের পছন্দ, আমরা যা খাই, আমাদের আসা যাওয়া, চলাচল, অনুভব সবই প্রভাব ফেলে ত্বকের উপর।

বিস্তারিত পড়ুন…

পাঁচ মিশালী স্বাস্থকথা

ক্যান্সার প্রতিরোধে ভিটামিন সি
ভিটামিন সি জাতীয় খাবার অধিক গ্রহণ করুন। ভিটামিন সি যেসব অঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে তার মধ্যে রয়েছে- মুখ, অন্ননালী, অন্ত্র, পাকস’লী, পায়ুপথ ও জরায়ুর মুখ। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে- আমলকী, আমড়া, আম, পেয়ারা, ফুলকপি, কমলা, লেবু, কাঁচামরিচ, পেঁপে, টমেটো প্রভৃতি।

বিস্তারিত পড়ুন…

ক্যান্সার প্রতিরোধে ফুলকপি ও ফুলকপির পাতা

ফুলকপির পাতাশাক খুব সুস্বাদু ও পুষ্টিসমৃদ্ধ। এই পাতার উপরিভাগে ক্যান্সার নিরোধক উপাদান পেয়েছেন বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। বাল্টিমোর জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের গবেষকেরা ফুলকপির পাতায় আইসো থায়োসায়ানেটস নামক রাসায়নিক পদার্থ পেয়েছেন। এটি দেহে সৃষ্ট জৈব রাসায়নিক পদার্থের স্বাভাবিক বিষক্রিয়া মুক্ত করা প্রক্রিয়ায় শক্তি জোগায় বলে জানা গেছে। এ থেকে বোঝা যায়, ফুলকপি ও বাঁধাকপির মতো শাকসবজি খেলে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম।

বিস্তারিত পড়ুন…

বাদাম কেন খাবেন ?

বাদাম  কী ওজন কমানোর কোন গোপন রহস্য। বেশ কয়েকটি জরিপে বেশি পরিমাণ বাদাম খাওয়া (দিনে ২/৩ বার) এবং ওজন কমে যাওয়ার মধ্যে একটি সম্পর্ক প্রমাণিত হয়েছে। বেথ ইজরায়েল মেডিকেল সেন্টারের গবেষকরা ২০১০ সালে ২০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে ছোট একটি জরিপ পরিচালনা করেন। এতে দেখা যায় নাস্তার সময় কিছু আখরোট খেলে দুপুরের খাবার সময় পেট ভরাভরা লাগে, ফলে কম খাওয়া সম্ভব হয়। ক্যালরি কম খাওয়া হলে ওজন হ্রাসে সহায়তা হয়। বাদাম খেলে যেহেতু পেট ভরাভরা লাগে, তাই তো কম ক্যালরি খাওয়ার ব্যাপারে   সহায়ক হবে। বিস্তারিত পড়ুন…

ভিটামিন বি কিডনির ক্ষতি করে?

ভিটামিন বি কিডনির ক্ষতি করে ডায়াবেটিসগ্রস্ত প্রায় ৪০% ব্যক্তি কিডনি রোগের শিকার হয়। উচ্চ মাত্রার ভিটামিন গ্রহণের ফলে অবস্থা আরো খারাপের দিকে যায়। কানাডিয়ান গবেষকরা টাইপ-১ অথবা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের কারণে সৃষ্ট ১ থেকে ৩ স্তরের পুরনো কিডনি রোগগ্রস্ত ২৩৮ ব্যক্তির ওপর একটি সমীক্ষা পরিচালনা করেন। বিস্তারিত পড়ুন…