সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

শিশুর দাতের যত্ন

দাতের যত্নপ্রায়ই দেখা যায় অনেক শিশু খেলাচ্ছলে তাদের বৃদ্ধাঙ্গুল চুষতে থাকে। এটি যদি বাচ্চাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়, তবে একে  Thumb   Sucking বলে। এ অভ্যাস তাদের জন্মের প্রথম তিন মাসেই তৈরি হয়। সাধারণত দুই-তিন বছরের মধ্যে এ অভ্যাস চলে যায়। কিন্তু যদি চার বছরের মধ্যে শিশু এ অভ্যাস বদলাতে না পারে, তবে এর ফলে ভবিষ্যতে তার ওপরের মাড়ি ও দাঁত অস্বাভাবিক উঁচু হতে পারে, তালু অনেক গভীর হতে পারে, উপরের এবং নিচের মাড়ির দাঁতের মধ্যে স্থায়ী গ্যাপ বা Open Bit  হতে পারে ইত্যাদি। তাই অভ্যাসটি যদি সময়মতো দূর করা যায়, তাহলে উপরের সমস্যাগুলো এড়ানো সম্ভব।

বিস্তারিত পড়ুন…

প্রাকৃতিক চিকিৎসা

প্রাকৃতিক চিকিৎসাপ্রাকৃতিক চিকিৎসা হচ্ছে উৎকৃষ্ট চিকিৎসা। তবে কি মেডিক্যাল চিকিৎসার কোনো দরকার নেই? অবশ্যই আছে। চিকিৎসা ও চিকিৎসকের সফলতা সেখানেই যেখানে এই প্রাকৃতিক চিকিৎসাকেই কাজে লাগিয়ে রোগী সুস্থ করে তোলা যায়।

ধরা যাক, আপনি সাধারণ সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এখন চিকিৎসক আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারেন

বিস্তারিত পড়ুন…

অ্যালকোহল ও ঘুমের ওষুধ – ব্যবহার ও প্রভাব

অ্যালকোহলবিভিন্ন দেশের সমাজব্যবস্থা ও সংস্কৃতির ওপর অ্যালকোহলের ব্যবহার ও প্রভাব নির্ভর করে। কোনো সমাজে অ্যালকোহলের ব্যবহার পানি পানের মতো, আবার কোথাও অ্যালকোহল বা মদ্যপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সামাজিক রীতিনীতি, আচার-ব্যবহার প্রভৃতি অ্যালকোহলের ব্যবহারকে অনেকখানি নিয়ন্ত্রিত করে থাকে। বেশ কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে অ্যালকোহলের ব্যবহার খুবই বেড়ে গেছে।

বিস্তারিত পড়ুন…

হৃদরোগ চিকিৎসায় তেলশূন্য রান্না

হৃদরোগ চিকিৎসায় তেলশূন্য রান্নাবর্তমান যুগের মানুষ যে সাধারণ জীবনধারণ প্রণালীর সাথে অভ্যস্তÍ, তা হচ্ছে বিশ্রামবহুল (বসে থেকে কাজ করা) জীবনধারণ প্রণালী। খুব অল্পসংখ্যক ব্যক্তি নিয়মিত কায়িক শ্রম বা শ্রমসাধ্য কাজ করেন। আমাদের বেশির ভাগের জীবনধারণ প্রণালীতে ন্যূনতম দৈহিক শ্রমসাধ্য কাজ থাকে না। কোনো ব্যায়াম নয়, বরং থাকে খারাপ খাদ্যাভ্যাস, বিলাসবহুল ও বিশ্রামবহুল জীবন।

বিস্তারিত পড়ুন…

শিশুর জ্বর ও খিঁচুনি রোগ

শিশুর জ্বর কোনো কোনো শিশুর বিভিন্ন সময় জ্বর তরতর করে বেড়ে যায়। তারপরই শুরু হয় শরীরজুড়ে খিঁচুনি। মোটামুটি ৩৯ সে: বা ১০২ সে: ফারেনহাইটে জ্বর উঠে গেলে এ অবস্থা হয়। চোখ উল্টে যায় এবং দাঁতে দাঁত লেগে যেতে পারে। এ ব্যাপারটি কযেক সেকেন্ড থেকে ৫-১০ মিনিট পর্যন্ত চলতে পারে। শিশুটি এরপর ঘুমিয়ে পড়ে। আমাদের দেশের প্রায ৩-৪ শতাংশ শিশুর এ সমস্যা হয়। সাধারণত এ রকম খিঁচুনি ৯ মাস বয়সের আগে বা চার বছরের পর হয় না।

বিস্তারিত পড়ুন…

মাশরুম : ডায়াবেটিসসহ অনেক রোগের ওষুধ

mushroomমাশরুম হলো মহৌষধি গুণসম্পন্ন অত্যন্ত পুষ্টিকর ছত্রাকজাতীয় সবজি। পবিত্র আল কুরআন ও হাদিস শরিফ থেকে জানা যায়, মাশরুম আল্লাহপাকের প্রদত্ত স্বর্গীয় খাবার, যা পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক গুণসম্পন্ন একটি মহৌষধ। মাশরুমে আমিষ, শর্করা, চর্বি, মিনারেল ও ভিটামিন (সব); চর্বি ও শর্করা (স্বল্প);  ফলিক অ্যাসিড, লৌহ-প্রভৃতি ওষুধি গুণাগুণ ও উপাদান থাকায় এটি মানব শরীরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বর্ধনপূর্বক ডায়াবেটিস; ব্লাডপ্রেসার; কিডনি ও এলার্জি; যৌনরোগ ও অক্ষমতা; আলসার, বাতের ব্যথা প্রভৃতি জটিল ও কঠিন দুরারোগ্য ব্যাধি মুক্ত করে নিরাময়কের মহাভূমিকা পালন করে থাকে।

বিস্তারিত পড়ুন…

শিশুদের ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা

ডায়রিয়াদিনে তিন-চারবার পাতলা পায়খানা হলে তাকে ডায়রিয়া বলে। ডায়রিয়া সব বয়সে হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ ভয়াবহ রূপ নেয়। ছোট শিশুদের বয়স ছয় মাস থেকে দুই বছরের মধ্যে বিশেষ করে যাদের পুষ্টি কম, তাদের মধ্যে পাতলা পায়খানা বেশি দেখা যায় আর বেশি বিপজ্জনক হয়।

আমাদের দেশে শিশু মৃত্যুহারের অন্যম প্রধান কারণ ডায়রিয়া। কারণ এ রোগের কারণে শিশুর শরীরের পানি পাতলা পায়খানার সাথে বের হয়ে যায় এবং পানিস্বল্পতার কারণে শিশু মারা যায়।

বিস্তারিত পড়ুন…

বাড়তি দৈহিক ওজন হাঁপানির প্রবণতা বাড়ায়

বাড়তি দৈহিক ওজন

হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘমেয়াদি এক গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে, অতিরিক্ত ওজনধারী মহিলাদের মধ্যে হাঁপানি হওয়ার আশঙ্কা বেশি। তারা দেখেছেন, অতিরিক্ত ওজনের কারণে দেহে হরমোনের তারতম্য ঘটে, যা হাঁপানি হওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়। সুতরাং হাঁপানির ঝুঁকি এড়াতে হলে অবশ্যই মহিলাদেরকে দৈনিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। শরীরে একবার মেদ জমে গেলে তা কমানো অনেক কষ্টসাধ্য। তাই মোটা হয়ে হালকা হওয়ার চেষ্টা না করে দেহে যাতে অতিরিক্ত চর্বি জমতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বিস্তারিত পড়ুন…

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে শাকসবজি-ফলমূল

Fight Breast Cancerবেশির ভাগ রোগ-ব্যাধির কারণ হলো অস্বাভাবিক উল্টাপাল্টা খাবার খাওয়া. এ ধারণা সেই প্রাচীনকাল থেকে এখনো আজকের আধুনিক যুগের মানুষের চিন্তা-ভাবনায় রয়েছে। এ ধারণার সত্যতা প্রমাণ করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। জানা গেছে, অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত খাবার স্তনক্যান্সারসহ অন্যান্য ক্যান্সারের জন্যও দায়ী।

বিস্তারিত পড়ুন…

সূর্যরশ্মি থেকে ত্বকের সুরক্ষা

health.masudkabir.comসূর্যরশ্মি ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। সূর্যরশ্মির কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয় তাকে ফটোড্যামেজ বলে। ত্বক সূর্যরশ্মিতে কালচে, শুষ্ক,বলিরেখাপূর্ণ হয়ে ওঠে। অল্প বয়সেও সূর্যরশ্মির প্রভাবে ত্বক বয়স্ক দেখায় এবং নানা রকম দাগ ও ত্রুটিযুক্ত হয়। সূর্যরশ্মি নানা রকম হয়। ইনফ্রারেড ডের, আলট্রাভায়োলেট রে এবং আরো অনেক রকম। মূলত আলট্রাভায়োলেট রশ্মি আমাদের ত্বকের ক্ষতি বেশি করে। আলট্রাভায়োলেট রশ্মি দুই প্রকার।

বিস্তারিত পড়ুন…

খাবারের স্বাদ নিয়ে নানা কথা

health.maudkabir.comখাবারের সব স্বাদই জিহ্বায় নয়, টেস্ট বাড (Test bud) নামক স্বাদ সংবেদি অঙ্গ শুধু জিহ্বাতে নয়, মুখগহ্বরের তালুতে, গালের ভেতরে দুই পাশে এমনকি খাদ্যনালীর উপরিভাগে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। টেস্ট বাডের অভ্যন্তরে বিভিন্ন জটিল মিথস্ক্রিয়া ঘটে থাকে, স্নায়ুজালিকাসমৃদ্ধ প্রতিটি টেস্ট বাড প্রধান স্বাদ (মিষ্টি, টক, তিতা, লবণাক্ত) এবং যেকোনো সুস্বাদুতা নির্ণয় করতে পারে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, মুখের এবং নাকের সংবেদনশীলতার মিথস্ক্রিয়া খাবারের স্বাদ বহু গুণে বাড়িয়ে দেয়। আমরা নিশ্চয়ই খেয়াল করব যে, ঠাণ্ডা বা সর্দি লাগলে কোনো খাবারের সঠিক স্বাদ এমনকি কোন খাবার খাচ্ছি তা নির্ণয় করা যায় না। মুখভর্তি খাবার নিয়ে মুখবন্ধ করে নাক দিয়ে শ্বাস ছাড়লে এই বাষ্প নাসারন্ধ্রের ভেতরের দিকে অবস্থিত অলফ্যাক্টরি নার্ভের সংস্পর্শে এসে খাদ্য স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া খাদ্যদর্শনও খাদ্যের স্বাদ আনে।

বিস্তারিত পড়ুন…

ডায়াবেটিস রোগ এবং পায়ের যতন

health.masudkabir.comডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ বর্তমান পৃথিবীতে অতি পরিচিত রোগ, যা ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীর আনাচে-কানাচে। শরীরে অগ্ন্যাশয়ের বিটা বা বি কোষ হতে তৈরি হয় ইনসুলিন হরমোন, যা রক্তের মাধ্যমে কোষে প্রবেশ করে ও দহনের মাধ্যমে শক্তি জোগায়। বিটা কোষ এ ইনসুলিন তৈরিতে ব্যর্থ হলে বা এর কার্যকারিতা নষ্ট হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় ও তা নিয়ন্ত্রণ না করলে বিভিন্ন রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। কারণ কোষ শক্তি সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্লুকোজ পায় না।

বিস্তারিত পড়ুন…

মোট 2 পৃষ্ঠা এর মধ্যে 112