সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

হৃদরোগ প্রতিরোধে নিয়মিত রসুন সেবন

রসুনে সালফারসমৃদ্ধ অ্যালিসিন উপাদান রয়েছে, যা রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (এলডিএল কোলেস্টেরল) কমাতে সাহায্য করে। দেহের অতিরিক্ত চর্বি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে দেহের রক্তনালিগুলোতে স্বাভাবিক রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। প্রফেসর বোর্ডিয়া ও ড. আইজেন বার্জারের মতে, রসুন ও পেঁয়াজে রক্তের অণুচক্রিকা জমাট বাঁধার গতি প্রশমিত করার ক্ষমতা রয়েছে।

নিয়মিত যারা রসুন ও পেঁয়াজ খান তাদের হার্ট অ্যাটাক, করোনারি থ্রম্বোসিস ইত্যাদি হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক কম। ড. রেগ সেনর মনে করেন, নিয়মিত রসুন খেলে রক্তের স্বাভাবিক তারল্য বজায় থাকে, রক্তকণিকাগুলো রক্ত-তরলে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে সক্ষম হয়। সর্বোপরি দেহের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমস বা রক্ত সঞ্চালনতন্ত্র উন্নত থাকে।

ড. সেনরের মতে, কেবল হৃদরোগ প্রতিরোধ নয়, রসুনের অ্যান্টিসেপ্টিক, ডায়াবেটিক প্রতিরোধ, ক্যান্সার ও অন্যান্য রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা রয়েছে। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আপনি কাঁচা রসুনের দু-এক কোয়া অথবা সেদ্ধ রসুন কিংবা ড্রাগ স্টোর থেকে রসুনের ক্যাপসুল প্রতিদিন নিয়মিত খেতে পারেন। তবে যারা কোনো অসুখে ভুগছেন তারা অবশ্যই রেজিস্টার্ড ডাক্তারের নির্দেশিত ওষুধ গ্রহণসহ চিকিত্সকের পরামর্শে রসুন খেয়ে উপকার পেতে পারেন।

১. হালকা শরীরচর্চা করুন। রক্ত সঞ্চালনের ফলে হতাশার লেভেল কমে যাবে।
২. মাংসপেশি শিথিল করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রথমে মুখ, তারপর ঘাড়, কাঁধ—এভাবে মাথা থেকে পা পর্যন্ত।
৩. গান শুনুন। বিভিন্ন গানের সুরের প্রভাব বিভিন্ন রকম হয়। কোন্ ধরনের সুর আপনার সবচেয়ে বেশি টেনশন কমাতে সাহায্য করছে সেটা খুঁজে নিন।
৪. যোগব্যায়াম করুন। যোগব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই টেনশন দূর করার ক্ষেত্রে।