সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

হঠাত্ হার্ট অ্যাটাক হলে

সারাদিনের কর্মব্যস্ত কাজের শেষে বিকালে যখন আপনি বাসায় ফিরছেন তখন হঠাত্ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করছেন, সঙ্গে খুব ঘাম এবং অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা। সেই তীব্র ব্যথা ক্রমাগত মুখের চোয়াল হয়ে আপনার বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ছে। আপনি খুব অস্থির অনুভব করছেন। যারা হার্ট অ্যাটাকের রোগী তাদের কাছে এই অভিজ্ঞতা খুব সাধারণ।

হার্ট অ্যাটাক হলে হাসপাতালে নেয়ার আগ পর্যন্ত যদি কিছু টিপস মেনে চলা যায় তাহলে অপ্রত্যাশিত মৃত্যু রোধ করা সম্ভব। তাই হার্ট অ্যাটাকের রোগীদের জন্য এবং যাদের হার্ট অ্যাটাকের মতো এরকম অভিজ্ঞতা হতে পারে তাদের জন্য কিছু করণীয় বিষয় উল্লেখ করছি।

হার্ট অ্যাটাক হলে ভয় পাবেন না। আমাদের হার্ট যখন অপর্যাপ্ত এবং অনিয়মিতভাবে রক্ত সঞ্চালন করে তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। হার্ট অ্যাটাকের ১০ সেকেন্ডের মধ্যে রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে আপনি খুব দ্রুত জোরে এবং ঘন ঘন কাশি দেবেন যেন কাশির সঙ্গে কফও বের হয়ে আসে। প্রতিবার কাশি দেয়ার আগে দীর্ঘশ্বাস নিন। এভাবে ঘন ঘন কাশি এবং দীর্ঘশ্বাস প্রতি দুই মিনিট পর পর করতে থাকুন। এতে করে আপনার হার্ট কিছুটা হলেও নিয়মিতভাবে রক্ত সঞ্চালন করবে।

হার্ট অ্যাটাকের প্রত্যেক রোগীর জন্য এই টিপস জেনে নেয়া আবশ্যক। হাসপাতালে নেয়ার আগে এই টিপস অনেকখানি সাহায্য করবে রোগীকে। কারণ দীর্ঘশ্বাসের ফলে আমাদের শরীরে অক্সিজেন পরিবহন বেশি হয়। আর ঘন ঘন এবং জোরে কাশি দেয়ার ফলে বুকে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাতে করে হার্ট পর্যাপ্ত ও নিয়মিতভাবে রক্ত সঞ্চালনের জন্য প্রস্তুত হয়।

কেবল ত্রিশ বছরের বেশি বয়স্কদের জন্য হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি নয়, বরং আজকাল জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন হওয়াতে যে কারও হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা থাকতে পারে। তাই সবারই এ ব্যাপারে সচেতন থাকা উচিত।