সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

শরীর ভালো রাখার উপায়

আপনি যদি চান সুন্দর সুস্বাসে’্যর অধিকারী হতে, তবে কয়েকটি বিষয়ে আপনাকে মনোযোগী হতেই হবে। খাদ্য গ্রহণের পাশাপাশি এর উপাদান-সম্পর্কিত প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে। অবিবেচনাপ্রসূত অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ কিংবা কেবল আহার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সুন্দর শরীর গঠন সম্ভব নয়। স্বাস’্যরক্ষায় প্রয়োজন নিয়মিত শরীরচর্চা এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

চর্বি থেকে দূরে থাকুন : হালকা খাদ্য খাবেন। চামড়া ছাড়া হাঁস-মুরগির গাঢ় রঙের গোশতে চামড়া ছাড়া হালকা রঙের গোশত অপেক্ষা ২০ ভাগ অধিক ক্যালরি এবং ১০ ভাগ কম প্রোটিন থাকে এবং তাতে চর্বিও দ্বিগুণ থাকে।

রোগ প্রতিরোধ করুন : প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। সবুজ শাকসবজি, মিষ্টি আলু, বাঁধাকপি খান। উজ্জ্বল ফলমূল এবং ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ যুক্ত খাবার খান। তাপে ‘সি’ ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়, তাই ভিটামিন ‘সি’যুক্ত খাদ্য কাঁচা খাওয়ার অভ্যাস করুন। গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন, পালংশাকে ফলিক অ্যাসিড এবং হলুদ ও কমলা রঙের ফলমূল ও সবজিতে ভিটামিন এ। সিদ্ধ করা খাবার স্বাসে’্যর জন্য উত্তম। অধিক মসলাযুক্ত খাবার সুস্বাদু হতে পারে, কিন’ তা স্বাসে’্যর জন্য হানিকর।

হাড় মজবুত করে তুলুন : অধিক ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খান। সর তোলা বা কম চর্বিযুক্ত আট আউন্স দুধ থেকে ২৫ বছরের ওপরের মহিলা ও পুরুষের জন্য সুপারিশকৃত খাদ্য তালিকার ৮০০ এমজি ক্যালসিয়ামের এক-তৃতীয়াংশ পূরণ করে। টমেটো দিয়ে রান্না করা মুরগির গোশত, পালংশাক, কচি ওল ও ব্রোকোলি শাকসবজির মধ্যে ক্যালসিয়াম প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।

শক্তি বাড়ান : প্রয়োজনীয় শ্বেতসার ও শর্করাজাতীয় খাদ্য গ্রহণ করুন। ‘বি’ ভিটামিনসহ ফলিক অ্যাসিডের স্বল্পতা ক্লান্তি ও রক্তহীনতা সৃষ্টি করতে পারে। খাদ্যে খনিজ উপাদান বিশেষ করে লৌহের প্রয়োজনীয়তার কথা মনে রাখবেন। ভেজানো ছোলা থেকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি পাবেন।

নিয়মিত শরীরচর্চা করুন : প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যায়াম করুন। ভোরের নির্মল বাতাসে দৌড়াতে পারেন। সুযোগ থাকলে পানিতে সাঁতার কাটুন কিংবা সাইকেল চালান। জোরে জোরে দীর্ঘ সময় ধরে শ্বাস নিন, ধীরে ধীরে নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন। সময়মতো খাবার গ্রহণ করা জরুরি। সব ধরনের খাদ্য খান এবং সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন। ঋতুকালীন ফলমূল খান প্রচুর পরিমাণে। শিমের বীজ, মাছের তেল, দই এগুলো উৎকৃষ্ট ও উপাদেয় খাদ্য।

লেখক :  ডা. রুমানা রিমি