সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

লো ব্লাড প্রেসার হলে…

নানাবিধ কারণে মানুষের শরীরে নিম্নরক্তচাপ হয়ে থাকে। সাধারণত ডায়াস্টলিক রক্তচাপ ৬০ বা ৫৫-এর নিচে থাকলে আমরা নিম্নরক্তচাপ বলি। আবার সিস্টলিক চাপ ৯০ বা ৮০-এর নিচে থাকলেও নিম্নরক্তচাপ বুঝে থাকি।
খুব নিম্নরক্তচাপের দরুন শরীরে প্রতিটি শিরা ও কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি পরিমাণমত সরবরাহ হয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবে মস্তিষ্ক (Brain), রেচনতন্ত্র (Kidney) বা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। বেশি মোটা বা বেশি পাতলা লোকও নিম্নরক্তচাপে আক্রান্ত হতে পারে।

কারণ
দীর্ঘদিন জটিল রোগে ভোগা এবং কিছু কিছু ওষুধের ব্যবহার। মারাত্মক রক্তশূন্যতা এবং ক্রিমি, যক্ষ্মা, মৃদুজ্বর, পেটের অসুখ বা অরুচির জন্যও এ রোগে দেখা যায় পুষ্টির অভাব, চর্বি, প্রোটিন ও ভিটামিনযুক্ত খাদ্যের অভাব। দীর্ঘদিন বিষণ্নতা বা মানসিক রোগে ভোগা। দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস রোগে ভোগা। অতিরিক্ত নিদ্রা হরণ বা রাত্রি জাগরণ। বেশি শারীরিক পরিশ্রম ও বিশ্রামহীন জীবনযাপন।

লক্ষণ
শরীর দুর্বল ও মাথা ঘোরা থাকে এবং ঘুম কম হয়। রোগী অস্থির বোধ করে। মাথা ব্যথা করে, স্মরণশক্তি লোপ পায় এবং চেহারা ফ্যাকাশে দেখায়। কোনো কাজে মন বসে না এবং একটু খাটা-খাটুনিতে হাঁপিয়ে পড়ে এবং নাড়ির গতি দ্রুত হয়। হজমশক্তি, ক্ষুধাহীনতা এবং প্রায়ই জ্বর ও সর্দি-কাশি লেগে থাকে। অনেকক্ষণ কাজ করা বা বসা থেকে হঠাত্ উঠে দাঁড়ালে চোখে অন্ধকার দেখে, চোখ-মুখ উল্টিয়ে ফেলে। রক্তচাপ মাপলে দেখা যাবে সিস্টোলিক ৯০-এর নিচে এবং ডায়াস্টোলিক ৫৫-এর নিচে নেমে গেছে। অতিরিক্ত রক্তচাপের দরুন মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ কম হলে রোগী অজ্ঞান হয়ে যায় এবং ঘামতে থাকে।

চিকিত্সা
পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস করতে হবে। নিয়মিত (Balance diet) খাদ্য গ্রহণ এবং শরীরের আহার, শ্রম, নিদ্রা ও বিশ্রামের প্রতি দৃষ্টি দিতে হবে।