সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

প্রস্রাবে ইনফেকশন : প্রতিকার ও প্রতিরোধ

অ্যান্টিবায়োটিকস বা যে ওষুধ দিয়ে রোগজীবাণু ধ্বংস করা যায় তা সেবনে মূত্রথলির ইনফেকশন কিংবা প্রস্রাবের ইনফেকশন দূর করা সম্ভব। সাধারণত সাত থেকে দশ দিন ওষুধ ব্যবহারে জীবাণুর মূলোত্পাটন করা সম্ভব, যদিও কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটিমাত্র অ্যান্টিবায়োটিকস সেবনেই ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। মনে রাখতে হবে এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণও বটে, যে ওষুধ সেবনে যতদিন ও যেভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়, ততদিনই সেবন করতে হবে।

রোগের উপসর্গ অ্যান্টিবায়োটিকস খাওয়ার পরপরই কমে যেতে পারে, কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিকস নির্ধারিত সময়ের আগে বন্ধ করে দিলে ইনফেকশন থেকে যেতে পারে ও পুনরাবৃত্তি হতে পারে। সেজন্য ওষুধ সেবনের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ৭ দিন পর ইনফেকশন নিরাময় হয়েছে কিনা সেজন্য ফের প্রস্রাব পরীক্ষার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন চিকিত্সকরা।

প্রতিরোধে পরামর্শ
—ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ঠিক রাখার পদ্ধতি অভ্যাস করতে হবে। প্রস্রাব কিংবা মলত্যাগের পর সর্বদাই সামনের দিক থেকে পেছনের দিকে পরিষ্কার বা মুছতে হবে।
—প্রতিদিন মলদ্বার ও তার সামনের চামড়া পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুতে হবে। স্বামী-স্ত্রী মিলনের আগে ও পরে গায়ের চামড়া পানি দিয়ে ধুলে মহিলাদের প্রস্রাব ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়।
—দৈনিক প্রচুর পানি পান করতে হবে (৬ থেকে ৮ গ্লাস) যেন মূত্রতন্ত্রের জীবাণুগুলো ধুয়ে বেরিয়ে যায়।
—বেগ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রস্রাব করতে হবে।
—মিলনের পরপর প্রস্রাব করলে মূত্রনলের জীবাণু বেরিয়ে যায়।
—ভিটামিন সি খেলে প্রস্রাব অম্লধর্মী হয়, ফলে ক্ষতিকারক জীবাণুর বংশবৃদ্ধি ঘটে না।
—কটনের তৈরি আন্ডারওয়্যার পরা ভালো, যেন ভেতরের ঘাম বাষ্প আকারে সহজেই বেরিয়ে যেতে পারে। সিনথেটিক কাপড় পরিধান করায় ঘাম বাষ্প আকারে বের হতে পারে না, ফলে জীবাণুর বংশ বৃদ্ধি ঘটতে পারে।
—যেসব মহিলার পুনঃপুন প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়, সেক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী মিলনের অবস্থা পরিবর্তন করে উপকৃত হন। কোনো কোনো চিকিত্সক মিলনের পর অ্যান্টিবায়োটিকস সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যা উপকারে আসে।