সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

ত্বকের ছোঁয়াচে রোগ

scabiesস্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া ত্বকের একটি ছোঁয়াচে রোগ। যে কেউ যেকোনো সময় এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। একজন আক্রান্ত হলে পুরো পরিবার এমনকি ঘনবসতিপূর্ণ ঘরে একত্রে বসবাস করে যেমন স্কুল, হোস্টেল, মাদরাসা, এতিমখানা, বস্তি এলাকায় তাদের মধ্যে যেকেউ এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া

সারকপটিস স্কেবিয়াই জীবাণু দিয়ে এ রোগ হয়। এ রোগের উপসর্গ হলো চুলকানি এবং রাতে অধিক চুলকায়। এত বেশি চুলকায় যে স্বাভাবিকভাবে রাতের ঘুম ব্যাহত হয়। স্কেবিন নামক একটি পদার্থ জীবাণু দেহ থেকে নিঃসৃত হয়, সেটাই মূলত চুলকানির জন্য দায়ী।

কিভাবে ছড়ায়

রোগটি মানুষ থেকে মানুষের দেহে ছড়ায়, প্রাণীর মাধ্যমে রোগটি ছড়াতে পারে না। অপরিচ্ছন্ন জীবনযাপন, এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সাথে এক সাথে বিছানায় শুলে কিংবা ব্যবহারকৃত কাপড় অন্য কেউ ব্যবহার করলে খুব সহজেই এ রোগ ছড়াতে পারে। কারণ জীবাণুটি ব্যবহৃত কাপড়ের মধ্য দুই দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। শিশু-কিশোরেরাই এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

দেখতে কেমন

রোগীর দেহের যেকোনো স্থানে গোটা গোটা দানা দেখা যাবে। বিশেষ করে হাতের আঙুলের ভাঁজে, কনুই, যৌনাঙ্গে, পা-হাতের তালুর প্রান্তে বেশি দেখা যায়। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে সুতার মতো লম্বা দাগ দেখা যায়। বিশেষ করে হাতের ত্বকে যেটাকে ইাৎৎড়ি বলা হয়। ইাৎৎড়ি বা নালীগর্ত যেকোনো স্থানে দেখা দিলেও মূলত হাতের কনুই, নাভীর প্রান্তে, যৌনাঙ্গ, স্তনের বোঁটায়, বগলের ত্বকে বেশি দেখা যায়।

শিশুদের ক্ষেত্রে আক্রান্ত হওয়ার কিছু দিন পর লোমকূপের গোড়া স্টেফাইলোকক্কাস ও স্ট্রেপটোকক্কাস নামক জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। ফলে ত্বকে গভীর ক্ষত দেখা যায়, এমনকি ত্বকের সেলুলাইটিসও দেখা দেয়। শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ থেকে ক্রনিক একজিমারও সৃষ্টি হয়।

সে জন্য রোগটি দীর্ঘস্থায়ী হলে তা নির্ণয় করা খুব একটা সহজ ব্যাপার নয়।

Category: ত্বক