সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

ক্যান্সার প্রতিরোধে করণীয়

নীরব ঘাতক ব্যধি ক্যান্সার। এক সময় প্রবাদ ছিলো ক্যান্সার হলে আর রক্ষা নেই। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এখন অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সার জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। পাশাপাশি আধুনিক চিকিত্সা বিজ্ঞানের কল্যাণে ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তিরাও চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী জীবন যাপন করলে এবং কিছু ওষুধপত্র সেবনে দীর্ঘদিন সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন।

এছাড়া যথাযথ খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান পরিত্যাগ করার মাধ্যমে ক্যান্সারের হাত থেকে অনেক ক্ষেত্রে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। বিশ্ব ক্যান্সার গবেষণা তহবিলের গবেষণা তথ্যে উল্লেখ করা হয়, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার যেমন খাদ্য তালিকায় প্রচুর শাক সবজি, ফল স্থান দেয়া, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যসম্মত ওজন বজায় রাখলে অনেক ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়।

যেসব ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায় তা হচ্ছে, জরায়ুর ক্যান্সার ৭০ ভাগ, খাদ্যনালীর ক্যান্সার ৬৯ ভাগ, মুখ, গলা ও স্বরযন্ত্রের ক্যান্সার ৬৩ ভাগ, পাকস্থলির ক্যান্সার ৪৭ ভাগ, কোলন ক্যান্সার ৪৫ ভাগ, প্যানক্রিয়াসের ক্যান্সার ৩৯ ভাগ, স্তন ক্যান্সার ৩৮ ভাগ, ফুসফুসের ক্যান্সার ৩৬ ভাগ, কিডনির ক্যান্সার ২৪ ভাগ ও গলব্লাডারের ক্যান্সার শতকরা ২১ ভাগ।

গবেষণায় বলা হয়, ধূপমান থেকে ফুসফুসের ক্যান্সার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশী। অথচ ধূমপানের বিপদ সম্পর্কে জানা সত্বেও অনেকে এ অপ্রয়োজনীয় অভ্যাসটি ছাড়তে পারেন না। এছাড়া গবেষকদের মতে সময় মত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার সনাক্ত হলে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ক্যান্সারের চিকিত্সা সম্ভব। এজন্য সমস্যা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া উচিত। দীর্ঘ মেয়াদী কাশি, দীর্ঘ মেয়াদী জ্বর, শরীরে ক্রমান্বয়ে ওজন হ্রাস, কোন অর্গানিক ব্যথা যেমন লিভার, কিডনি, মূত্রাশয়, ফুসফুসের দীর্ঘ মেয়াদী সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া উচিত। এতে একদিকে যেমন দু:শ্চিন্তা মুক্ত থাকা যায় তেমনি কোন বিরূপ অবস্থা থাকলে তাও সনাক্ত  করা যায়