সুস্থ থাকার উপায়

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

সুস্থ থাকার উপায় - বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র থেকে নেয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু লেখা…

কিডনি রোগ – কিছু পরামর্শ

—কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও প্রত্যেকের উচিত প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করা। অতিরিক্ত লবণ পরিহার করা এবং ওজন বেশি থাকলে তা স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসা। এছাড়াও রক্তে চর্বি বেশি থাকলে প্রয়োজনে ওষুধ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা এবং ধূমপান পুরোপুরি বর্জন করা।

—যাদের নেফ্রোটিক সিনড্রোম বা প্রস্রাবের প্রদাহ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে যথানিয়মে ওষুধ সেবন করা এবং নেফ্রোটক্সিক অ্যান্টিবায়োটিক এবং ব্যথানাশক বা এনাল জেসিক ওষুধ পরিহার করা উচিত।
—প্রস্রাব প্রদাহ কিডনির একটি সাধারণ রোগ হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।
—ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখুন এবং কিডনি রোগ থেকে বাঁচুন।
—শিশুদের টনসিলাইটিস, প্রস্রাবে প্রদাহ ও চর্মরোগের তাত্ক্ষণিক চিকিত্সা করুন।
—এন্টিবায়েটিক ও ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার শতকরা ১৫-২০ ভাগ কিডনি রোগের কারণ হতে পারে।
—অতিরিক্ত ডায়ারিয়া, বমন ও রক্তক্ষরণে আকস্মিক কিডনি বিকল হওয়ার প্রধান কারণ।
—মেয়েদের গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ পরবর্তী পর্যায়ে কিডনি রোগের কারণ হতে পারে।
—নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে কিডনি বিকলের কারণ।
—যাদের বয়স ৪০ বছরের ওপর তাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ প্রস্রাবে এলবুমিন নির্গত হচ্ছে কিনা তা বছরে ১ বার পরীক্ষা করে দেখে নেয়া উচিত। আবার যাদের বংশে কিডনি রোগ আছে তাদের পরিবারের সবার প্রস্রাব ও রক্তের ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করানো উচিত।
—যাদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, যাদের বাল্যকালে প্রস্রাবে ইনফেকশন ছিল কিংবা যারা বারবার টনসিলে ভোগেন তাদেরও এসব পরীক্ষা করিয়ে নেয়া দরকার।
—প্রতিটি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের বছরে অন্তত ১ বার প্রস্রাবে এলবুমিন অথবা মাইক্রোএলবুমিন এবং সিরাম ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করানো উচিত।
—পর্যাপ্ত পানি পান করা দরকার।
—ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত
—ডায়াবেটিক আক্রান্তরা নিয়মিত শর্করা ও রক্তের অ্যালবুমিন পরীক্ষা করুন।
—মাঝে মাঝে কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন